বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ফারাক্কায় ধস, বাতিল উত্তরবঙ্গগামী সব ট্রেন নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্য়াস মুখ্য়মন্ত্রীর নেপালে ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার ২ শ্রমিক অভিষেকের ক্য়ামাক স্ট্রিটের অফিস খালির নির্দেশ

ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ বিচার

24 August, 2026 7:40 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

জ্যোতিষাচার্য উৎপলকুমার দাস
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৮৭৭ সালে ভারতীয় ফুটবলের জন্ম। তবে সেভাবে দেখতে গেলে মোহনবাগান ক্লাবের হাত ধরে ১৮৮৯ সালের ১৫ আগস্ট এ দেশে ফুটবলের সূচনা হয়। সেই হিসেবে যদি ভারতীয় ফুটবলের জন্মছক বিচার করা হয়, তাহলে দেখা যাবে ভারতের ফুটবলের কন্যালগ্ন এবং মীন রাশি। হিসেব মতো বর্তমানে তার শনির সাড়েসাতির মধ্য পর্যায় চলছে। ২০২৭ সালের ৮ জুন পর্যন্ত ভারতীয় ফুটবলের ক্ষেত্রে কোনও শুভ সংবাদ পাওয়ার যোগ প্রায় নেই বললেই চলে। ওই সময়কালের পর থেকে শেষ আড়াই বছর ভারতীয় ফুটবলের একাধিক খেলোয়াড়ের চোট ও আঘাত প্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতীয় ফুটবলে কেতুর মহাদশা চলবে। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে ভারতীয় ফুটবলে কোনও শুভফল আশা করা যায় না। শুক্রের দশা শুরু হবে অক্টোবরের পর থেকে, যা চলবে আগামী ২০ বছর। এই সময়কাল ভারতীয় ফুটবলের সুসময়। শুক্র এবং রাহুর এই যোগ ভারতীয় ফুটবলের ক্ষেত্রে জন্মকালীন। সুতরাং শুক্র এবং ছায়াগ্রহ রাহু এই খেলার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। এরা দুজনেই ভাল অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু এরা যেহেতু বুধের ঘরে বসে আছে তাই ধারাবাহিক সাফল্য থেকে বঞ্চিত হবে। তবে তারুণ্য এবং বয়স্কের সংমিশ্রণে দল গঠন হলে তা সাফল্য বয়ে আনতে পারে। কারণ জন্ম থেকেই বৃহস্পতির দৃষ্টি রয়েছে শুক্র ও রাহুর ওপর।
ভারতীয় ফুটবলের স্বর্ণযুগ ১৯৫১ থেকে ১৯৬২ সাল। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই সময়ে ভারতের ক্ষেত্রে রাহুর মহাদশা চলছিল। শুক্র এবং রাহু খেলাধুলো এবং এই বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করে। ১৯৫১ সালের এশিয়ান গেমসে ভারত স্বর্ণপদক লাভ করেছিল। ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক্সে ভারত সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। ১৯৬২ সালে জাকার্তার এশিয়ান গেমসে ভারত স্বর্ণপদক জেতে। অক্টোবর ১৯৪৯ থেকে অক্টোবর ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত ভারতীয় ফুটবলে রাহুর মহাদশা চলেছিল। যেহেতু ভারতীয় ফুটবলের জন্মরাশিচক্রে রাহু তুঙ্গ, সেজন্য ওই সময়টিতে শুভ ঘটনা ঘটেছিল। আবার কিছুদিনের মধ্যেই আসতে চলেছে শুক্রের দশা। আগামী অক্টোবর থেকে আমরা ভারতের ফুটবলে দেখতে পাব কিছু শুভ পরিবর্তনের ঝলক। এখানে একটা কথা উল্লেখ করতেই হবে যে, মঙ্গল ভারতীয় ফুটবলের রাশিচক্রে নীচস্থ। সে জন্য ভারতীয় ফুটবলাররা দৈহিক শক্তির ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন। জার্সিতে লাল–হলুদ প্রভৃতি রঙের আধিক্য থাকলে এই দুর্বলতা বেশ কিছুটা কাটিয়ে ওঠা যেতে পারে। ২০৩০–২০৩২ সাল নাগাদ ভারতের ফুটবল সারা বিশ্বের কাছে স্বীকৃতি পাবে। শনি যখন কর্কট রাশিতে থাকবে অর্থাৎ ২০৩৮ সালের মধ্যে ফুটবলারদের চোট–আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। এই সময়ে বিদেশে সাফল্য পাওয়াও কঠিন হবে। বিশেষ করে অলিম্পিক্সের মতও আন্তর্জাতিক ময়দানে লড়ার জন্য ভারতীয় ফুটবলারদের প্রচুর কসরৎ করতে হতে পারে।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik