বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
বেলুড় মঠে মহাসাড়ম্বরে হয়ে গেল কুমারী পুজো পাঁজরে হাড় ভেঙে ফুসফুসে, চোরবাগানের ময়নাতদন্তের ভয়াবহ রিপোর্ট টাইগার শ্রফের উপর গুলি, হামলা, গ্রেপ্তার ৩ টাইগার শ্রফকে হামলায় দায়স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচি করবেন না, দীপকের বাড়িতে নোটিস নিয়ে হাজির পুলিশ

16 October, 2026 3:42 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন

নয়াদিল্লি, ১৬ অক্টোবর: ‘তেরঙা যাত্রা’ বের করা যাবে না, এই বার্তা পৌঁছে দিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-র নয়াদিল্লির বাড়িতে হাজির দিল্লি পুলিশ। পুলিশের হাতে নোটিস দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দীপকে। ঘটনার একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। ককরোচ জনতা পার্টি শুক্রবার সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ডাক দিয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর সময় কারচুপির অভিযোগে এই প্রতিবাদ। সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Image

ভিডিয়োয় দেখা যায়, কাঁধে ছোট জাতীয় পতাকা জড়িয়ে একটি সোফায় বসে আছেন দীপকে। পরনে মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছাপা সাদা টি-শার্ট ও নীল জিন‌স। সামনের কাচের টেবিলে একগাদা কাগজ। সেগুলি উল্টে দেখতে দেখতে নোটিসের কিছু অংশ পড়ে শোনাচ্ছেন তিনি এবং সামনে বসা পুলিশকর্মীকে প্রশ্ন করছেন, “কী অভিযোগ করছেন আমার বিরুদ্ধে?”

নোটিসের একটি অংশে লেখা, দীপকে সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ক্রমাগত উস্কানি দিয়েছেন, যা বেআইনি। এ কথা শুনে দীপকে বলেন, “এটা কী মজা লাগিয়েছেন আপনারা? এটা কী নোটিস? যা মনে আসছে, লিখে যাচ্ছেন!” পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি আরও বলেন, “ফাঁসিতে চড়িয়ে দিন না। এ কী মজা?” হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন, এমন একটিও ভিডিয়ো দেখাতে বলেন তিনি। তাঁর দাবি, “একটাও ভিডিয়ো দেখাতে পারবেন না।” নিজের বাড়িতে অন্য পুলিশকর্মীরা তাঁর ভিডিয়ো রেকর্ড করছিলেন, তার মধ্যেই এই চ্যালেঞ্জ।

নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি) জানিয়েছে, ‘প্রশাসনিক কারণে’ শুক্র ও শনিবার সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, কোনও ‘উপযুক্ত জায়গায়’ নির্দিষ্ট কয়েক জনকে জাতীয় পতাকা ওড়ানো ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে।

সিজেপির দুই সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে তিহার জেলে রাখা হয়েছে। যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদ-স্থল হিসেবে বাতিল করার একদিন পরে, ১৩ অক্টোবর, পতাকা হাতে সেখানে ঢুকে পড়েন তাঁরা। দু’জনকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানো হয়। এরপরই কন্নট প্লেসে তিরঙা ওড়াও কর্মসূচির ঘোষণা করেন দীপকে। গত শনিবার সকালে বম্বে থেকে দিল্লি পৌঁছনো বিমানে ঢুকে পড়ে পুলিশ। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যোগ দিতেই ওই বিমানে ছিলেন দীপকে, সৌরভ ও আশুতোষ। তিন জনকেই আটক করা হয়। সিজেপির শেয়ার করা ভিডিয়োয় দীপকে জানান , “পুলিশ নামতে দিচ্ছে না। বাকি যাত্রীদেরও অসুবিধা করছে। দেখুন, দেশ কোন দিকে যাচ্ছে। বিমান থেকেই আমাদের গ্রেপ্তার করতে এসেছে। ইন্দিরা গান্ধীও এটা করেননি। এটা স্বৈরতন্ত্র। আমরা এখানে গ্রেপ্তার হতেই এসেছি, আসুন, গ্রেপ্তার করুন।”

শুক্রবার সকালেই দীপকে জানান, তাঁকে আগে থেকেই আটক করার ষড়যন্ত্র করছে দিল্লি পুলিশ। কন্নট প্লেসে যান চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিও চলছে বলে দাবি করেন অভিজিৎ দীপকে।

প্রতিবেদন

UTSAB RC