চন্দ্রকোনায় পুলিশি হেফাজতে অভিযুক্তের রহস্য মৃত্যু
সংবাদদাতা, ঘাটাল: পুলিশি হেফাজতে ফের অস্বাভাবিক মৃত্যু অভিযুক্তের। শ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার শৌচালয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। তাকে প্রথমে চন্দ্রকোনা গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ ছিল। যদিও মৃতের পরিবারের দাবি, অভিযুক্তকে মেরে ফেলা হয়েছে। মৃতের ভাইয়ের অভিযোগ, পুলিশ এই মৃত্যু নিয়ে একেক সময় একেক রকম কথা বলছে।
জানা গেছে, মৃতের নাম রাহুল রুইদাস। বাড়ি বগেশ্বরপুর এলাকায়। দিন পাঁচেক আগে একটি চুরির ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর ঘাটাল মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে তাকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। জানা গেছে, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন রবিবার শৌচালয় মধ্যে নিজের প্যান্ট গলায় জড়িয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন ওই অভিযুক্ত। শৌচালয় থেকে শব্দ পেয়ে ভেতরে ঢোকে পুলিশ। তখনই ব্যক্তকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালের CMOH সীতানাথ হাঁসদা জানিয়েছেন, রবিবার রাত ন’টা নাগাদ রাহুলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর গলায় একটি দাগ দেখা গেলেও, দেহে কোথাও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। তিনি জানান, প্রাথমিক ভাবে অনুমান, শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে ব্যক্তির। তবে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরেই জানা যাবে।
স্থানীয়দের দাবি, মৃত ব্যক্তি নেশা করতেন। চুরি–ছিনতাইয়ের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। সে কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্তের পরিবারও।
গত আগস্টেই কাঁচরাপাড়া পুরসভার পদত্যাগী তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামীরও রহস্য মৃত্যু হয়েছিল পুলিশি হেফাজতে। অভিযোগ উঠেছিল, লকআপে মারধর করার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
