বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
বেলুড় মঠে মহাসাড়ম্বরে হয়ে গেল কুমারী পুজো পাঁজরে হাড় ভেঙে ফুসফুসে, চোরবাগানের ময়নাতদন্তের ভয়াবহ রিপোর্ট টাইগার শ্রফের উপর গুলি, হামলা, গ্রেপ্তার ৩ টাইগার শ্রফকে হামলায় দায়স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

পুজোর আগে অধরা পদ্মার ইলিশ, বাঙালির পাতে ভরসা গুজরাতের ডিম-ভর্তি ইলিশ

25 September, 2026 1:42 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন

কলকাতা, সংবাদদাতা: এবছর পুজোর আগে ওপার বাংলার রুপোলি ইলিশের স্বাদ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শেষ। পদ্মার ইলিশ এপার বাংলায় পাঠানোর কোনও ছাড়পত্র এখনও মেলেনি, উল্টে গুজরাত থেকে বাংলাদেশে যে ডিম-ভর্তি ইলিশ আমদানি হচ্ছিল, বুধবার তার ওপরেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার।

২০১৩ সালে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তারপর থেকে পদ্মার ইলিশ রপ্তানি কার্যত বন্ধই ছিল। দীর্ঘদিন ওপার বাংলার সুস্বাদু ইলিশের স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিলেন এপার বাংলার বাঙালিরা। পরে ২০১৮ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। তারপর থেকে প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে উপহার হিসেবে কলকাতায় ইলিশ পাঠানো শুরু করে বাংলাদেশ সরকার। গত সাত বছর ধরে এটাই ছিল রীতি। এমনকি শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার পরেও অন্তর্বর্তী সরকার একই ধারা বজায় রেখেছিল। কিন্তু তারেক রহমানের সরকারের আমলে এবার সেই সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর বাংলাদেশে নতুন সরকার আসার পরেও ইলিশ আমদানির চেষ্টা থামায়নি কলকাতার ব্যবসায়ীরা। আগস্ট মাসে ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা গিয়ে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য দফতরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। সেই বৈঠকে এবারও ইলিশ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

তবে পরিস্থিতি বদলে যায় অগস্ট-সেপ্টেম্বরে, যখন বাংলাদেশের মাছ ব্যবসায়ীরা গুজরাট থেকে প্রায় ৫৫০ মেট্রিক টন ডিম-ভর্তি ইলিশ আমদানি করেন। এই ঘটনার পরই বুধবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাংলাদেশ সরকার।

এ প্রসঙ্গে সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, তাঁরা আশা করেছিলেন বাংলাদেশের ইলিশ আসবে, কিন্তু বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতিই বাতিল করে দিয়েছে। হাতে সময়ও আর নেই— আগামী ৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্রে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। ফলে এবারের পুজোয় ইলিশের সুস্বাদু পদ থেকে বঞ্চিত থাকতে হতে পারে আমবাঙালিকে।

প্রতিবেদন

UTSAB RC