বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

লস্করের হুমকিতে উদ্বেগে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

09 September, 2026 2:37 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, শ্রীনগর:‌ একমাসের মধ্যে ৫ বার হুমকি চিঠি পেলেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। নেপথ্যে জঙ্গি সংগঠন লস্কর–ই–তইবা। চিঠিতে লেখা হয়েছে, চাকরি ছাড়ুন, না হলে আপনাদের প্রাণ দিতে হবে। বিশেষ করে পিএম প্যাকেজের আওতায় থাকা পণ্ডিতদের উদ্দেশেই দেওয়া হয়েছে এই চিঠি। কিন্তু বারবার এরকম হুমকিতে আতঙ্কিত অন্তত ৭ হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত। জঙ্গিরা শেষ চিঠি প্রকাশ করেছে গত ১ সেপ্টেম্বর। যেখানে পিএম প্যাকেজের অধীনে কর্মরত কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ফোন নম্বর, বাড়ির ঠিকানা, গাড়ির নম্বর ডার্ক ওয়েবে ফাঁস করা হয়েছে। এরপর সেটিকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। চিঠিতে লেখা ছিল, চাকরি ছাড়ো, নাহলে দেহ ব্যাগে ভরে নিজের এলাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পণ্ডিতরা যদি জম্মুতেও চলে যান, তাহলেও তাঁদের ছাড়া হবে না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিরাপত্তায় তাঁদের ছোটখাটো অস্ত্র দেওয়ার বিষয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নর যে পরিকল্পনা করছেন, তারও বিরোধিতা করা হয়েছে চিঠিতে।
কিন্তু কীভাবে পণ্ডিতদের যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য হাতে পেল জঙ্গিরা?‌ দাবি করা হচ্ছে, সরকারি দপ্তর থেকেই ডেটা ফাঁস হয়ে গিয়েছে। ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং জম্মু ও কাশ্মীরের উপ রাজ্যপালের কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন পিএম প্যাকেজের কর্মী রাকেশ হান্ডু। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, ১৫ বছর ধরে জম্মু–কাশ্মীরে ৬ হাজার কর্মী কাজ করছেন। কিন্তু তাঁদের বেশিরভাগই থাকেন ভাড়া করা বাড়িতে। তাঁদের জন্য সরকারি থাকার জায়গা তৈরি করা হলেও গত ৩ বছরে বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ৮০০টি। এই অবস্থায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁরা। এর ফলে বাড়ি থেকে কাজ করার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা করা শুরু করেছেন পণ্ডিতরা।
ঘটনায় কেন্দ্রের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রধান ফারুক আবদুল্লা। বলেঠেন, হুমকি শুধু পিএম প্যাকেজের পণ্ডিতরাই কেন পাচ্ছেন? অন্য সিনিয়র আধিকারিকদের কেন দেওয়া হচ্ছে না?‌ অন্যদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা বলেছেন, এই হুমকিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik