বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
বেলুড় মঠে মহাসাড়ম্বরে হয়ে গেল কুমারী পুজো পাঁজরে হাড় ভেঙে ফুসফুসে, চোরবাগানের ময়নাতদন্তের ভয়াবহ রিপোর্ট টাইগার শ্রফের উপর গুলি, হামলা, গ্রেপ্তার ৩ টাইগার শ্রফকে হামলায় দায়স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

পুজোর মুখে উচ্ছেদের আশঙ্কা, অনিশ্চয়তার আতঙ্কে অম্বিকানগর বাজারের প্রায় ৭০ ব্যবসায়ী

13 October, 2026 6:57 PM Sandipan Saha
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: পুজোর মুখে উচ্ছেদের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে শিলিগুড়ি সংলগ্ন অম্বিকানগর বাজারের প্রায় ৭০ জন ব্যবসায়ীর। রেলের জমিতে থাকা দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করা দোকানদারদের আশঙ্কা, দোকান উঠে গেলে পুজোর আগে চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হবে তাঁদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের পিছনে নতুন প্রবেশপথ তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এনজেপি রেল হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই রাস্তার ধারে থাকা দোকানগুলি সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এর আগেও রেলের তরফে দোকান সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ফের মৌখিকভাবে দোকান সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার অম্বিকানগর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, উচ্ছেদের আশঙ্কায় বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী নিজেরাই দোকান সরানোর কাজ শুরু করেছেন।

শুধু অম্বিকানগর বাজারই নয়, শিলিগুড়ি শহর ও আশপাশের রেলের জমিতে থাকা বিভিন্ন বাজার ও বসতি নিয়েও উচ্ছেদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রেলের জমিতে বসবাস ও ব্যবসা করে আসা বহু মানুষের দাবি, বিকল্প ব্যবস্থা ও পুনর্বাসনের বিষয়টি বিবেচনা না করে তাঁদের উচ্ছেদ করা উচিত নয়।

বাজারের ব্যবসায়ী রাজকুমার দেবনাথ জানান, প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি ওই এলাকায় ব্যবসা করছেন। দোকান সরিয়ে দেওয়া হলে তাঁর জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। রাস্তা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেও তিনি ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

উন্নয়নের স্বার্থে রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগকে ঘিরে একদিকে যেমন নতুন প্রবেশপথ তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে তেমনই জীবিকা হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। পুজোর আগে এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের জন্য বিকল্প জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।

প্রতিবেদন

Sandipan Saha