বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
বেলুড় মঠে মহাসাড়ম্বরে হয়ে গেল কুমারী পুজো পাঁজরে হাড় ভেঙে ফুসফুসে, চোরবাগানের ময়নাতদন্তের ভয়াবহ রিপোর্ট টাইগার শ্রফের উপর গুলি, হামলা, গ্রেপ্তার ৩ টাইগার শ্রফকে হামলায় দায়স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট, গ্রেপ্তার অভিজিৎ দীপকে, শনিবারই তোলা হবে আদালতে

17 October, 2026 11:18 AM UTSAB RC
শেয়ার করুন
সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: দিনভর আটকে রাখার পর অবশেষে ‘প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট’ দেখানো হল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রধান অভিজিৎ দীপকে-কে। শনিবার ভোরে দিল্লি পুলিশ জানায়, শান্তিভঙ্গের আশঙ্কায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ দিনই তাঁকে দিল্লির বিশেষ এগজ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হবে। দুপুর ১২টা নাগাদ তাঁকে মন্দির মার্গ পুলিশ স্টেশনে আনা হবে। পুলিশ স্টেশনের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
Image

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারায় দীপকেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৭০ ধারায় পুলিশ কোনও পরোয়ানা বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়াই অপরাধ আটকাতে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে। এর আগে সিজেপির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁরা এখন তিহার জেলে বন্দি। শনিবার সকালে সিজেপির আইনি পরামর্শদাতা দলের প্রধান রত্না সিং অভিযোগ করেন, দীপকে-কে কোথায় রাখা হয়েছে, তা সংগঠনের কেউ জানেন না। তাঁর দাবি, আইনজীবীদেরও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

এই প্রথম নয়। যন্তর মন্তর অভিযানের সময়ও দিল্লি বিমানবন্দর থেকেই সংগঠনের তিন প্রধান মুখকে আগাম গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে তাঁরা জামিন পান। কিন্তু দু’দিন পরেই সৌরভ ও রাঙ্কা যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন। সেই সময় পুলিশ ততদিনে জায়গাটিকে নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল। তাই গ্রেপ্তার হন দু’জন। আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের জেল হেপাজতে পাঠায়।

যন্তর মন্তরের কাছে কনট প্লেসে শুক্রবার ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সেখানে যাওয়ার পথেই বিকেলে আটক হন দীপকে, পরে তাঁর গ্রেপ্তারি দেখানো হয়। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে আটক হয়েছিলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরাও। শনিবার ভোরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মুক্তির পর নেহার অভিযোগ, কোনও কারণ ছাড়াই বিক্ষোভকারীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হচ্ছে, পরদিন আবার ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, এই বেআইনি আটকের উদ্দেশ্য কী? তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের মনে ভয় ঢোকানোই এর লক্ষ্য।

প্রতিবেদন

UTSAB RC