একই দিনে দ্বিতীয় এনকাউন্টার, গাইঘাটার পুনরাবৃত্তি সামশেরগঞ্জে, পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে গুলি, পাল্টা গুলিতে হত অভিযুক্ত

সংবাদদাতা, সামশেরগঞ্জ: বারুইপুরের পর একই দিনে দুটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটল রাজ্যে। প্রথমটি গাইঘাটায় এবং দ্বিতীয়টি সামশেরগঞ্জে। গাইঘাটার ধর্ষণ কাণ্ডে মঙ্গলবার ভোরে অভিযুক্তকে ঘটনা পুনর্নির্মাণের জন্য় নিয়ে যাওয়া হলে সে পুলিশের অআগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে গুলি ছোড়ে। এরপরই তাকে এনকাউন্টার করা হয়। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জেও ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। পুলিশের অভিযোগ হুবহু এক। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল বিজেপি কর্মী খুনে অভিযুক্ত সামাউল শেখ। আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে সে গুলি-ও করে পুলিশকে। পাল্টা গুলিতে নিহত হয় ওই অভিযুক্ত। মুখ্য়মন্ত্রী ও পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জোড়া এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি জানিয়েছেন, এই নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারবেন না তিনি।
সামশেরগঞ্জে বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডলকে খুনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় সামাউন শেখ নামে ওই ব্য়ক্তিকে। মঙ্গলবার তাঁকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণে বেরিয়েছিল পুলিশ। সামশেরগঞ্জ থানার পুরাতন ডাকবাংলা এলাকায় সুজিতকে যেখানে খুন করা হয়, সেখানেই নিয়ে যাওয়া হয় সামাউনকে। পুলিশের দাবি, ওই সময় এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে নেয় সামাউল। পালানোর চেষ্টা করে সে। তিন রাউন্ড গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। পাল্টা গুলিতে জখম হন সামাউন। জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন আগেই মারা গিয়েছে ওই যুবক।
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার এক আধিকারিক বলেন, ‘‘খুনের ঘটনার তদন্ত করছিল রাজ্য সিআইডি। মঙ্গলবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় গুলি চলার ঘটনা ঘটে। তার পর অভিযুক্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’’ গত ২৮ আগস্ট রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যান সামশেরগঞ্জের বাসিন্দা সুজিত মন্ডল। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়।
