পুলিশি নজরদারিতে চোরবাগানের প্রতিমা নিরঞ্জন

সংবাদদাতা, কলকাতা: চোরবাগান সর্বজনীনের প্রতিমা নিরঞ্জনকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা। দুপুর আড়াইটে নাগাদ মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করা হয়। কুমোরটুলি থেকে আনা হয় ৩৬জন বাহক। ধীরে ধীরে মণ্ডপ থেকে বের করে আনা হয় প্রতিমা। নিরঞ্জনে যাতে কোনও ভাবেই কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তাই সতর্ক পুলিশ। নিমতলা ঘাটে প্রতিমার নিরঞ্জন করার নির্দেশিকা রয়েছে। এই চোরবাগান সর্বজনীনে এই বছর পুজোয় সবথেকে বড় অঘটন ঘটে যায়। ১৯ জন দর্শনার্থীর মৃত্য়ু হয় এই মন্ডপে।
চোরবাগানের সংকীর্ণ পথ থেকে কীভাবে এতবড় প্রতিমা বেরোবে, তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। সকাল থেকেই তাই পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীরা এলাকা ঘিরে রাখে। কুমোরটুলির বাহকদের ডেকে ধীরে ধীরে ২৫ ফুটের মূর্তিকে বের করে রাস্তায় আনা হয়।
এদিকে শুক্রবারই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজ্য়ের গঠিত বিশেষ তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তারা জানান, শনিবার প্রতিমা নিরঞ্জন করা যেতে পারে। কিন্তু মন্ডপের কোনও অংশ এখনই খোলা যাবে না। তদন্তের স্বার্থে অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে চোরবাগানের মণ্ডপ। চোরবাগান দুর্ঘটনায় প্রথমেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন জনকে। পরে একজন ঘোষককে নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আরেকজন ঘোষক নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।
