বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
বেলুড় মঠে মহাসাড়ম্বরে হয়ে গেল কুমারী পুজো পাঁজরে হাড় ভেঙে ফুসফুসে, চোরবাগানের ময়নাতদন্তের ভয়াবহ রিপোর্ট টাইগার শ্রফের উপর গুলি, হামলা, গ্রেপ্তার ৩ টাইগার শ্রফকে হামলায় দায়স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

বিলবোর্ড মামলায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা অভিষেকের

14 October, 2026 1:18 PM Sandipan Saha
শেয়ার করুন

 সংবাদদাতা, কলকাতা: বিলবোর্ড মামলায় বুধবার সকাল ১১টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন ডায়মন্ড হারবারের  সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেদিন হাজিরা দেননি। সূত্রের খবর, থানায় ইমেল করে তিনি জানান, তাঁকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হোক। তার পরই পুলিশ অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে নোটিস দিয়ে আসে। বুধবার হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়। সেই নোটিস পাওয়ার পর বুধবার সকালে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন অভিষেক। গত ২৭ আগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দপ্তর থেকে একটি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে গোলমাল হয়েছিল। পুলিশ ও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন অভিষেকের অনুগামীরা। ধাক্কাধাক্কি, হাতাহাতির মধ্যেই জোর করে পুলিশ ক্যামাক স্ট্রিটের ওই ভবনের ছাদে ওঠে। খুলে নেওয়া হয় তৃণমূলের নাম এবং জোড়াফুল চিহ্ন সংবলিত বিলবোর্ড। অভিযোগ, বিলবোর্ডটি বেআইনি ভাবে বসানো হয়েছিল এবং এলাকার নিরাপত্তার পক্ষে তা বিপজ্জনক। এর পর অবশ্য সেখানে একই নাম এবং চিহ্ন আঁকা ব্যানার টাঙিয়ে দেন অভিষেকেরা। সে দিনের ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি এফআইআর হয়েছিল।এর আগে ১ সেপ্টেম্বর এক বার ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে অভিষেককে তলব করা হয়েছিল। তিনি হাজিরাও দিয়েছিলেন। ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করেন তদন্তকারীরা। গত ৭ অক্টোবর অভিষেককে নোটিস দিতে গিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু নোটিস কেউ গ্রহণ করেননি। সূত্রের খবর, অভিষেকের বাড়ি থেকে পুলিশকে জানানো হয়, নোটিস গ্রহণ করার মতো কেউ নেই। যাঁর নামে নোটিস, তিনি শহরের বাইরে রয়েছেন। ফলে নোটিস না-দিয়েই ফিরতে হয়েছিল পুলিশকে। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন অভিষেক। বুধবার সেই কারণে বাড়িতে ছিলেন না তিনি। শনিবার তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন। তার পরই রবিবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে আবার পৌঁছে যায় শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। এবং তার পর এই হাজিরা।

প্রতিবেদন

Sandipan Saha