বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

মমতা-ঋত শিবিরের নতুন নাম চূড়ান্ত কমিশনের, কোন প্রতীকে লড়বে দুই দল?

18 September, 2026 2:32 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, কলকাতা: অবশেষে জট কাটল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের নাম ও প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন। মমতার শিবিরের নাম ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।’ তাঁদের প্রতীক ‘ফুটবলার’। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’। প্রতীক ‘খাম’।

বৃহস্পতিবারই দুই পক্ষকে তলব করেছিল কমিশন। কার কাছে জোড়া ফুল চিহ্ন যাবে, তা নিয়ে দুই শিবিরের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাতেই তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়া ফুল চিহ্ন ফ্রিজ করে কমিশন। দুই শিবিরের কাছে তিনটি বিকল্প নাম ও প্রতীক চাওয়া হয়। সেই অনুযায়ী নতুন নাম প্রতীক চূড়ান্ত করে কমিশন। ৬ অক্টোবর রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। সেই উপনির্বাচনে দুই নতুন প্রতীক ও নাম নিয়ে লড়বে দুই দল।

শুক্রবার সকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের উপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দলের তিনটি বিকল্প নাম এবং দু’টি প্রতীক কমিশনের কাছে প্রস্তাব আকারে পাঠান।— সর্বভারতীয় তৃণমূল মমতা কংগ্রেস, সর্বভারতীয় মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা তৃণমূল কংগ্রেস। এর মধ্যে থেকেই একটি নাম চূড়ান্ত করেছে কমিশন। প্রতীক হিসেবে ‘ফুটবল পায়ে ফুটবলার’ এবং ‘ক্রিকেট ব্যাট’ এই দুটি চিহ্ন রাখেন তিনি। কমিশন ফুটবলারের চিহ্ন বেছে নিয়েছেন।

ঋতব্রতদের পক্ষ থেকেও একই ভাবে কমিশনের কাছে তিনটি নাম এবং তিনটি প্রতীকের প্রস্তাব কমিশনে পাঠানো হয়।  জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস, এই তিনটি নাম পাঠানো হয়। দ্বিতীয় নামটি তাদের দেওয়া হয়েছে। প্রতীক হিসেবে খাম, ব্ল্যাকবোর্ড এবং ব্যাটারি টর্চের প্রস্তাব দেওয়া হয় তাঁদের পক্ষ থেকে। খাম প্রতীকে তাঁদের প্রার্থীদের লড়তে হবে। মমতা শিবিরের প্রস্তাবিত নামে ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঋত-শিবির বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে।

এই বিতর্কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তিনি আগেই বলেছিলেন এই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস বলে কিছু থাকবে না। তাঁর মতে, “এটা উপরওয়ালার বিচার। তৃণমূল বলে কোনও পার্টি নেই। তৃণমূল মৃত। তৃণমূল নির্মূল।” এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই নিয়ে জানিয়েছেন, অতি দর্পে হতা লঙ্কা। তিনি জানিয়েছেন, “নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে সবপক্ষের কথা শুনে উনি নিজের দলকে একজোট রাখতে পারেননি। দুই-তিন-চার ভাগ হয়েছে। এর দায়িত্ব ওনার। এটার সঙ্গে আমাদের বিজেপির রোল নেই।” তাঁর মতে, “তবে আমি একটা কথা বলি, নির্বাচনের গনণার দিন হলদিয়ায় বলছিলাম আর যেই থাকুক, ওনারা থাকবেন না।”

প্রতিবেদন

UTSAB RC