বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
বেলুড় মঠে মহাসাড়ম্বরে হয়ে গেল কুমারী পুজো পাঁজরে হাড় ভেঙে ফুসফুসে, চোরবাগানের ময়নাতদন্তের ভয়াবহ রিপোর্ট টাইগার শ্রফের উপর গুলি, হামলা, গ্রেপ্তার ৩ টাইগার শ্রফকে হামলায় দায়স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

প্লাস্টিক ও জঞ্জালমুক্ত এলাকার অঙ্গিকার ফুলিয়া পুরসভার

02 October, 2026 7:51 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, নদীয়া: দুর্গোৎসবের ঢাকের বাদ্যি বাজার আগেই পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন ফুলিয়া গড়তে এক বড় পদক্ষেপ করল শান্তিপুর ব্লক প্রশাসন ও স্থানীয় পঞ্চায়েত। এতদিন ধরে রাস্তার পাশে প্লাস্টিক ও পচনশীল বর্জ্য ফেলার যে প্রবণতা পরিবেশ দূষণ বাড়িয়ে তুলছিল, তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে এবার পুরসভা জঞ্জাল অপসারণ পরিষেবা চালু হতে চলেছে এলাকায়। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যেই এই পরিষেবার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে।‌ প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের সূচনা হচ্ছে ফুলিয়া টাউনশিপ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার এই উদ্যোগকে সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েতের যৌথ তদারকিতে একটি বিশেষ সংস্থার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি পরিবারকে পঞ্চায়েতের তরফ থেকে বিনামূল্যে একটি করে বিশেষ ব্যাগ এবং প্লাস্টিকের বালতি দেওয়া হবে।
বাড়ির যাবতীয় পচনশীল গৃহস্থালির বর্জ্য জমা রাখার জন্য দেওয়া হবে বালতি। সেই সংস্থার কর্মীরা সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই পচনশীল জঞ্জাল সংগ্রহ করবেন।
প্লাস্টিকজাত দ্রব্য এবং শুকনো অপচনশীল বস্তু রাখার জন্য দেওয়া হবে আলাদা ব্যাগ। সপ্তাহে একদিন করে এই ব্যাগের প্লাস্টিক সংগ্রহ করবেন কর্মীরা। মালিপোতায় নির্মিত আধুনিক ‘ট্রেঞ্চিং গ্রাউন্ডে’ নিয়ে গিয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বর্জ্যের  প্রক্রিয়াকরণ ও নিষ্কাশন করা হবে। শুধু সাধারণ বসতবাড়িই নয়, ফুলিয়ার সমস্ত বাজার এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকেও এই পরিষেবার আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন করতে আয়োজিত বিশেষ প্রশাসনিক সভায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত নিয়ম ভেঙে যত্রতত্র আবর্জনা ফেললে সংশ্লিষ্ট পরিবার বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে আর্থিক জরিমানা করা হবে। প্রশাসনের আশা, ফুলিয়া টাউনশিপে এই সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব মডেল সফল হলে খুব শীঘ্রই শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও এই পরিষেবা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। উৎসবের মরশুমের আগেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik