Trinamool Congress: কমিশনের নাম ও প্রতীক নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতার পাশে কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টি
দিল্লি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে আপাতত জোড়াফুল প্রতীকও গেল, দলের নামও। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই মমতার পাশে কংগ্রেস (Congress)। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেনুগোপাল ও মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান পবন খেরা। তাঁদের সুরেই প্রশ্ন তুলেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও।

Ad
প্রতীক নিয়ে মমতার পাশে কংগ্রেস
ভেনুগোপালের নিশানায় সরাসরি কমিশন। তাঁর অভিযোগ, “অসাংবিধানিক ভাবে বিজেপি তৃণমূলকে দখল করে নেওয়ার পর এআইটিসি-র নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের তরফে মোদিজিকে দেওয়া গভীর রাতের জন্মদিনের উপহার।” তাঁর আরও অভিযোগ, মমতার নেতৃত্বে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করা লোকেদেরই এখন মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
Freezing the AITC name and symbol – after a blatantly unconstitutional hijack by the BJP – is CEC Gyanesh Kumar’s late night birthday gift to Modi ji.
Those who fought against the BJP, under Mamata Banerjee’s leadership, are now being given the red carpet to rebel against her… https://t.co/6r2jjFGJf1
— K C Venugopal (@kcvenugopalmp) September 17, 2026
মমতার পাশে কংগ্রেস, কমিশনকে নিশানা
পবন খেরার আক্রমণও সোজাসাপ্টা। তাঁর বক্তব্য, “এআইটিসি-র প্রতীক ফ্রিজ করা ‘ন্যায়বিচার’ নয়। এটি সাংবিধানিক দায়িত্ব থেকে নির্বাচন কমিশনের সরে দাঁড়ানো।” তাঁর দাবি, তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া অংশের ওই প্রতীকের উপর বৈধ দাবি নেই। খেরার কথায়, “প্রতীক সেই দলের, যে দল ওই নাম বহন করে।”
The ECI’s decision to freeze the AITC symbol is not “justice”. It is an abdication of its constitutional responsibility.
The breakaway faction of the AITC has no constitutional basis and hence, no legitimate claim to the AITC symbol. The symbol belongs to the party that bears… https://t.co/6qgFkf2wrF
— Pawan Khera 🇮🇳 ಪವನ್ ಖೇರಾ (@Pawankhera) September 17, 2026
অখিলেশের প্রশ্ন
অখিলেশের প্রশ্নও কমিশনকে ঘিরেই। সমাজবাদী পার্টির প্রধান বলেন, “নির্বাচন কমিশন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করার জন্য সিদ্ধান্ত নিলে তাদেরই সম্মান বাড়বে।” কমিশনে জমা দেওয়া তাঁদের হলফনামা পৌঁছেছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
चुनाव आयोग लोकतांत्रिक मूल्यों को सशक्त करने के लिए फ़ैसले ले तो उसके मान-सम्मान में वृद्धि होगी।
और कुछ नहीं कहना है… बस इतना पूछना है कि हमारे द्वारा इलेक्शन कमीशन में जमा किये गये एफ़िडेविट मिले क्या? pic.twitter.com/uzVk1XfLT2
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) September 17, 2026
মমতা-কানিমোঝি বৈঠক
বৃহস্পতিবার দুপুরে মমতার কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি। বৈঠক নিয়ে ডিএমকে বা তৃণমূলের তরফে তৃতীয় ফ্রন্ট গড়ার কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবে সূত্রের দাবি, বিজেপি ও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে আঞ্চলিক দলগুলিকে নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে উদ্ধব ঠাকরে ও শরদ পওয়ারের সঙ্গেও কানিমোঝির বৈঠক হয়েছে।
আরও পড়ুন: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন, উপনির্বাচনে নেই ঘাসফুল
আরও পড়ুন: প্রকৃত তৃণমূল তাঁরাই, নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে জানালেন ঋতব্রত, কটাক্ষ কুণালের
কাছাকাছি কংগ্রেস ও মমতা
তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমিশনের সিদ্ধান্ত। আর রাত নামতেই মমতার পাশে কংগ্রেস দাঁড়িয়েছে ও সরব অবস্থান নিয়েছে। প্রশ্নটা তাই থেকেই যাচ্ছে—কানিমোঝির বৈঠকে ‘অবিজেপি, অকংগ্রেসি’ সমীকরণের জল্পনার মধ্যেই কমিশনের সিদ্ধান্ত কি ফের মমতা ও কংগ্রেসকে কাছাকাছি এনে দিল?
