বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ফারাক্কায় ধস, বাতিল উত্তরবঙ্গগামী সব ট্রেন নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্য়াস মুখ্য়মন্ত্রীর নেপালে ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার ২ শ্রমিক অভিষেকের ক্য়ামাক স্ট্রিটের অফিস খালির নির্দেশ

বিরলতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার

25 August, 2026 1:08 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আগামী ২৮ আগস্ট রাখি পূর্ণিমা। এদিনই দুর্লভ এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে বিশ্ব। পৃথিবী চলে আসবে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে। পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়লে শুরু হবে চন্দ্রগ্রহণ। তবে এবারের গ্রহণটিকে মোটেই সাধারণ বলে মানতে রাজি নন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মহল। তাদের মতে, এই দিনটিতে হতে চলেছে একটি গভীর এবং আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এ দিন চাঁদের প্রায় ৯৩ থেকে ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর ছায়ায় সম্পূর্ণ ঢেকে যাবে। ফলে এটিকে আংশিক গ্রহণ বলা হলেও এটি প্রায় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের মতোই রূপ নেবে। গ্রহণের সময় চাঁদে এক মনোমুগ্ধকর লালচে বা কমলা আভা ফুটে উঠবে। যা অনেকটা ‘ব্লাড মুন’–এর মতো দেখাবে। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে আসা আলো প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের বুকে পড়ার কারণে তৈরি হবে এই লালচে রূপ।
যা অতি বিরল মহাজাগতিক ঘটনার তকমা পেতে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ধরণের গ্রহণ অত্যন্ত কম ঘটে থাকে।
তবে দুঃখের বিষয় হল ভারত থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না। আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী গ্রহণটি যখন তার সম্পূর্ণ রূপ নেবে, তখন ভারতে দিনের আলো থাকবে। চাঁদের অবস্থান হবে দিগন্তের নিচে। ফলে ভারত বা বাংলাদেশ থেকে এই আংশিক চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে বা সরাসরি দেখতে পাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। এই মহাজাগতিক ঘটনা সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে। এছাড়াও ইউরোপের পশ্চিম অংশ এবং পশ্চিম আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও গ্রহণটি আংশিকভাবে দেখা যাবে। সব মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষ এই মহাজাগতিক দৃশ্যটি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন। আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী ২৮ আগস্ট রাত ১–২৪ মিনিটে শুরু হয়ে সকাল ৭–০২ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হবে গ্রহণ। এটি চূড়ান্ত রূপ নেবে ভোর ৪–১৩ মিনিটে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে সব দেশ থেকে এই বিরল চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না, সেই সব দেশের মানুষজন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ও জ্যোতির্বিজ্ঞান ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রহণের সরাসরি সম্প্রচার ঘরে বসেই দেখতে পারবেন। ‌

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik