বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
সামশেরগঞ্জে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত এনকাউন্টার গাইঘাটা ধর্ষণ কাণ্ডে এনকাউন্টার করে অভিযুক্তের মৃত্য়ু সরশুনা কাণ্ডে অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ একই দিনে জোড়া এনকাউন্টার রাজ্য়ে

গুয়াহাটি হত্যাকাণ্ডে এনকাউন্টারের শঙ্কা ধৃতের, সুরক্ষার নির্দেশ আদালতের

29 October, 2026 1:32 PM Sandipan Saha
শেয়ার করুন

গুয়াহাটি, ২৯ অক্টোবর: অসমের গুয়াহাটিতে হোটেলের ভিতরে গুলি চালিয়ে পাঁচ জনকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ঘনকান্ত গগৈয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ দিল আদালত। পুলিশি হেফাজতে তাঁকে এনকাউন্টার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অভিযুক্তের আইনজীবী। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ধৃতের নিরাপত্তা, শারীরিক পরীক্ষা এবং জেরার পদ্ধতি নিয়ে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখা হবে। হেফাজতে তাঁর উপর কোনও রকম শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না। প্রতি ২৪ ঘণ্টা অন্তর তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। খাবার, পানীয় জল-সহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

আদালত আরও জানিয়েছে, সূর্যোদয়ের আগে বা সূর্যাস্তের পরে অভিযুক্তকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদ বা প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলে ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিককে সঙ্গে রাখতে হবে। পুলিশি হেফাজতে অভিযুক্তের অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকাও মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৬ অক্টোবর রাতে গুয়াহাটির বরাসার্ভিস এলাকার ‘হোটেল বিলাস ইন’-এ গুলি চালানোর ঘটনায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন হোটেলের মালিক পরিবারের চার সদস্য। তাঁরা হলেন হেলেনা ভরালি, তাঁর ছেলে দেবর্ষি কাশ্যপ, পুত্রবধূ রিনিকি কাশ্যপ এবং হেলেনার ভাই ভূদেব ভরালি। এছাড়া হোটেলের কর্মী নারায়ণ দাসেরও মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ পরিবারের গাড়িচালক সত্যেন্দ্র পাঠক চিকিৎসাধীন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, হোটেলের লিজ, পরিচালনা এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। হোটেলটি ঘনকান্ত গগৈ লিজে নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবি, আত্মরক্ষার জন্যই তিনি গুলি চালিয়েছিলেন। সেই দাবি এখনও তদন্তসাপেক্ষ।

ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে পুলিশ। পাঁচটি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পিছনে থাকা বিবাদের পূর্ণাঙ্গ চিত্র সামনে আনাই এখন তদন্তকারীদের লক্ষ্য।

 

প্রতিবেদন

Sandipan Saha