ফের এনকাউন্টার! গাইঘাটায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের প্রাণ গেল পুলিশের গুলিতে

সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আবারও এনকাউন্টার রাজ্যে। বারুইপুরের পর এবার গাইঘাটা। নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে যৌন হেনস্থা ও খুনের ঘটনায় ধৃত যুবকের প্রাণ গেল পুলিশে গুলিতে। অভিযুক্তের নাম প্রহ্লাদ দাস। দিন দুয়েক আগেই নির্যাতিতাকে নির্যাতন এবং হত্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাকে। অভিযুক্ত প্রহ্লাদ ছিল সম্পর্কে নির্যাতিতারই আত্মীয়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোররাতে অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করানোর জন্য ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সেই সময়ই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালাতে চালাতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে প্রহ্লাদ। আত্মরক্ষার কারণে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। তাতেই অভিযুক্তর শরীরে গুলি লাগে। চাঁদপাড়া গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন এক পুলিশ কর্মীও। অভিযুক্তের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছেছে তার পরিবারের লোকজন।
গত ২৪ অক্টোবরের ঘটনা। গাইঘাটার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা এক স্কুলছাত্রী পাড়ার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরেরদিন এক প্রতিবেশীর বাড়ির উঠোনে তার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বছর তেইশের প্রহ্লাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে অভিযুক্ত কত রাউন্ড গুলি চালিয়েছে এবং জবাবে পুলিশ কত রাউন্ড গুলি চালায় তার সঠিক তথ্য এখনও মেলেনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। হাসপাতালে সামনে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত জুলাইতে বারুইপুরে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলেরও মৃত্যু হয়েছিল পুলিশের গুলিতে।
