যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ মামলায় সিজেপি নেতাদের ভর্ৎসনা দিল্লি হাইকোর্টের

সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেও দিল্লির যন্তর মন্তরে জোর করে প্রবেশের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বুধবার তীব্র ভর্ৎসনা করল দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যন প্রসাদের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছে।
গত ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও লোহার গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন ওই নেতারা। পুলিশ তাঁদের আটক করে এবং পূর্ববর্তী বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধিকে চ্যালেঞ্জ করে সিজেপি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়।
শুনানিতে বিচারপতি প্রসাদ প্রশ্ন তোলেন, সরকার নির্ধারিত বিক্ষোভ স্থলের তালিকা থেকে যন্তর মন্তর বাদ দেওয়ার পরেও কেন সেখানে ঢুকলেন তাঁরা? বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বিক্ষোভের অনুমতির উদ্দেশ্য কেবল আন্দোলনকারীদের আটকানো নয়, বিশৃঙ্খলা এড়ানোও বটে। নেতারা ব্যারিকেড ভাঙলে অনুগামীরাও সেই পথ অনুসরণ করতে পারেন। যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক ছাত্র বিক্ষোভের উদাহরণ টেনে আদালত জানায়, অতীতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও পরবর্তী সময়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে রূপ নিয়েছে। পাশাপাশি শান্তিভঙ্গ না করার আগের বন্ডের শর্ত কেন লঙ্ঘন করা হল, তাও জানতে চায় আদালত। ধৃতদের বয়স ২৭ ও ৩১ বছর শুনে বিচারপতির মন্তব্য, এঁরা জেন জি নন। আন্দোলনটি মূলত তরুণদের ছাত্র বিক্ষোভ দিয়ে শুরু হলেও এখন তার চরিত্র বদলে গেছে।
