চোরবাগান সংলগ্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি, গ্রেপ্তার ৭
সংবাদদাতা, কলকাতা : শনিবারের মর্মান্তিক ঘটনার পর চোরবাগান সংশ্লিষ্ট রাস্তায় জারি করা হল ১৬৩ ধারা। আপাতত আগামা ৩ দিনের জন্য এই ধারা জারি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৭ জনকে।
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ১৬৩ ধারা জারি থাকবে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। একঝলকে দেখে নেওয়া যায়, কোন কোন এলাকায় জারি থাকবে ১৪৪ ধারা।
১) কলুটোলা স্ট্রিট থেকে কলেজ স্ট্রিট হয়ে ইডেন হাসপাতাল।
২) কলুটোলা স্ট্রিট থেকে সি আর অ্যাভিনিউ হয়ে ইডেন হাসপাতাল।
৩) কলেজ স্ট্রিট থেকে কলুটোলা স্ট্রিট হয়ে হয়ে সি আর অ্যাভিনিউ।
৪) কলেজ স্ট্রিট থেকে ইডেন হাসপাতাল হয়ে সি আর অ্যাভিনিউ।
১৬৩ ধারা কী?
ভারতীয় আইন অনুযায়ী, বর্তমানে ১৬৩ ধারা বলতে মূলত ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩ বোঝানো হয়। যা আগে পুরনো ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা হিসেবে পরিচিত ছিল।
জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা: এই ধারা জারি হলে কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় ৫ বা তার বেশি মানুষের একসঙ্গে জড়ো হওয়া ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকে
মিছিল ও বিক্ষোভ: পূর্বানুমতি ছাড়া কোনও মিছিল, মিটিং বা প্রতিবাদ সভা করা যাবে না।
অস্ত্র বহন: লাঠি, পাথর, আরালো অস্ত্র বা যে কোনও ধরণের বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা নিষিদ্ধ।
আইনি ব্যবস্থা: এই ধারা অমান্য করলে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে বা গ্রেপ্তার করতে পারে।
এদিকে পুজো প্যান্ডেলে ১ শিশুসহ ১৮ জনের মৃত্যুর তদন্তে নেমে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করল লালবাজার। ধৃতদের মধ্যে আছেন পুজো কমিটির সম্পাদক, সহ–সভাপতি, বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার ২ আধিকারিকসহ আরও কয়েকজন। ধৃতদের নাম রাজকুমার সেওদা, শান্তনু দুবে, বিপ্লব মুখোপাধ্যায়, কৌশিক সাহা, পিন্টু দে, সুমন চক্রবর্তী, রাজেশ পাল। রাজকুমার এ শান্তনু চোরবাগান পুজো কমিটির সম্পাদক ও সহ–সভাপতি পদে ছিলেন। বিপ্লব বাঁশের কাঠামো লাগানোর দায়িত্বে ছিলেন। কৌশিক ও পিন্টুসহ অন্যদের দায়িত্ব ছিল ভিড় সামলানোর এবং ভিআইপি পাশ চেক করার। অন্যদিকে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার দুই কর্তা হলেন সুমন এবং রাজেশ।
