বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীকের ফয়সালা চার মাসে, কমিশনকে সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

28 September, 2026 2:49 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: আসল তৃণমূল কারা, জোড়াফুল প্রতীকের স্বত্বই বা কার? এই প্রশ্নের নিষ্পত্তি চার মাসের মধ্যে করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সোমবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ, প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর্ব শেষ করতে হবে। তার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কমিশন পাবে আরও তিন মাস। অর্থাৎ, জানুয়ারির মধ্যেই নাম ও প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে হবে কমিশনকে।

এর ফলে পুজোর পর পুরভোট বা এই সময়ের মধ্যে অন্য কোনও নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গণতান্ত্রিক তৃণমূল, দুই শিবিরকেই অস্থায়ী প্রতীক নিয়ে লড়তে হবে। মমতা শিবিরের আইনজীবী কপিল সিব্বল ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত নিষ্পত্তির আর্জি জানান। আদালত জানতে চায়, কমিশনের কাছে দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষ হয়েছে কি না। মমতা শিবির হ্যাঁ বললেও ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী মুকুল রোহতগি বক্তব্য পেশের জন্য ছ’সপ্তাহ সময় চান। আদালত তা মানেনি, চার সপ্তাহই বেঁধে দিয়েছে।

দুই শিবিরের দ্বন্দ্বের মধ্যেই ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ‘ফ্রিজ়’ করা হয়। কমিশনের বক্তব্য, দল কার, আসল তৃণমূল কারা, তহবিলের মালিকানা কোন গোষ্ঠীর, এসব চূড়ান্ত হলে তবেই জোড়াফুল ফেরত মিলবে। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে শুক্রবার দুই শিবিরের অন্তর্বর্তী নাম ও প্রতীক ঠিক করে কমিশন।মমতা শিবিরের নাম ঠিক হয় ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক ফুটবলার। নন্দীগ্রামে প্রার্থী না থাকায় তারা কংগ্রেসকে সমর্থন করে। ঋতব্রত শিবিরের নাম ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক খাম। এই খাম চিহ্ন আবার আইএসএফের। তা নিয়ে আলাদা মামলা করেন নওশাদ সিদ্দিকিরা। এদিকে কমিশনের এই অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলায় পক্ষ করা হয় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতকেও। গত বৃহস্পতিবারের প্রথম শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেছিল, এমন সময়সীমা চাই যাতে দুই পক্ষ ন্যায্য সুযোগ পায়, আবার বিষয়টি অযথা দীর্ঘও না হয়। সোমবার কমিশনের বক্তব্য শোনার পরই সময়সীমা ঘোষণা করে আদালত।

প্রতিবেদন

UTSAB RC