ব্রিকস–মঞ্চে পহেলগাম হামলার নিন্দায় চিন, ইরান
সংবাদদাতা, দিল্লি: ব্রিকস সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে পহেলগাম হামলার তীব্র নিন্দা। সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনও রকম আপস না করার কথাও জানিয়ে দিল সদস্য দেশগুলি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এর কূটনীতির মঞ্চে বেশ চাপের মুখে পড়ে গেল পাকিস্তান।
শনিবার একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে ২০২৫–এর ২২ এপ্রিল পহেলগাম জঙ্গি হামলার নিন্দা করেছে ব্রিকস–এ যোগ দেওয়া দেশগুলি। বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলতে হবে। কোনও রকম দ্বিচারিতা বরদাস্ত করা হবে না। জঙ্গিদের অর্থের জোগান, নিরাপদ আশ্রয় এবং সীমান্ত পারাপারের ক্ষেত্রে সুবিধে করে দিলে সেই দেশকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে এবং তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পহেলগাম হামলার নিন্দায় চিন ও ইরানের এই সায় ভারতের কাছে এক বিরাট সাফল্য।
জানা গেছে, ব্রিকস্–এ সন্ত্রাস দমন কৌশল, অ্যাকশন প্ল্যান এবং কাউন্টার–টেররিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের কাজের প্রশংসা করেছে সদস্য দেশগুলি। রাষ্ট্রপুঞ্জের অধীনে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় একটি সর্বজনীন চুক্তি চূড়ান্ত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। এই ঘোষণাকে যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, চিন বরাবরই পাকিস্তানের বন্ধু হিসেবেই পরিচিত। পহেলগামে হামলার পরে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’-এর সময়েও পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল বেজিং। পাশাপাশি ইসলামাবাদকে অস্ত্র আর ড্রোন দিয়ে সাহায্য করেছিল ইরানও। তাই এদিন ব্রিকস–এ পহেলগাম হামলার নিন্দা করে চিন ও ইরানের বিবৃতিকে কূটনৈতিক দিক থেকে দিল্লির সাফল্য হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
