আবার দেখা যদি হল, সখা...
সুনেত্রা সেনগুপ্ত
মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালিত হচ্ছে দেশজুড়ে। এমনকী বিদেশের বাঙালিরাও তাঁদের মতো করে স্মরণ করছেন বাংলা ছবির স্বর্ণযুগের সারথীকে। সরকারি উদ্যোগে বছরভর উত্তম–স্মরণের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগেও বহু অনুষ্ঠানের আয়োজন চলবে বছর জুড়ে। উত্তর কলকাতার হাতিবাগান অঞ্চলের আস্থা কমিউনিটি প্রেক্ষাগৃহে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হল এমনই এক মহানায়ক স্মরণ। আয়োজনে বরাহনগর নরেন্দ্রনাথ বিদ্যামন্দিরের ১৯৭৮ সালের প্রাক্তনীরা। সময়ের পথবেয়ে প্রাক্তনীদের প্রত্যেকেই আজ প্রৌঢ়ত্বের দরজায়। তবু এই অনুষ্ঠান ঘিরে তাঁদের উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। ছোট্ট, ঘরোয়া পরিবেশ ছেয়ে ছিল একরাশ নস্টালজিয়ায়। একদিকে উত্তম–আবেগ, অন্যদিকে বহু বছর পর সবাই মিলে এক ছাতার তলায় জুটে যাওয়ার আনন্দ—দুইয়ে মিলে যেন এক অন্যরকম রি–ইউনিয়ন। নাচে–গানে–কথায়–কবিতায়–শ্রুতি নাটক–একক নাটক– যন্ত্রসঙ্গীতে ভরে থাকল সারা সন্ধে। হইচই, হুল্লোড় আর উজাড় করা স্মৃতির ঝাঁপি ছড়িয়ে থাকল প্রেক্ষাগৃহের আনাচে–কানাচে। উত্তমকুমারকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা যেন ফিরে গেলেন তাঁদের যৌবনের দিনগুলিতে। এত বছর পর যেন ফের নতুন করে তাঁদের মনে উসকে উঠল যৌবনকালের ‘ম্যাটিনি আইডল’–এর স্মৃতি। আয়োজকদের উৎসাহ দিতে হাজির ছিলেন তাঁদের পরিবারের লোকজনেরাও।
