পুরভোটের আগেই তৃণমূলের তিন নেত্রী কি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন? জল্পনা তুঙ্গে!

সংবাদদাতা, কলকাতা: বঙ্গে পুজোর আবহ কাটতেই পুরভোটের দামামা বেজে ওঠার অপেক্ষায়। কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের সাত পুরসভায় ভোটের প্রস্তুতিতে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছে রাজ্য প্রশাসন। পুরভোটে কারা বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়ে দলের অন্দরে চলছে গোপন বৈঠক। এই জল্পনার মধ্যে তিনটি নাম উঠে আসছে আলোচনায়। জুঁই বিশ্বাস,অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দেবলীনা কুমারের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে বলে খবর। সূত্রের খবর, এই তিনজনকে নাকি টিকিট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। উল্লেখ্য জুঁই বিশ্বাস, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনেই প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ এবং দেবলীনা কুমার হলেন দেবাশিস কুমারের মেয়ে।
ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি বৈঠক সেরেছে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে। ২৮ নভেম্বর ভোটগ্রহণ এবং ২ ডিসেম্বর গণনার প্রস্তাব দিয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের সম্মতিও চাওয়া হয়েছে। সম্মতি মিললেই আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করবে কমিশন।
যদিও তৃণমূল নেত্রীদের বিজেপি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য। বৃহস্পতিবার কাশীপুর বেলগাছিয়ার বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির সঙ্গে টালা প্রত্যয়ের পুজো মণ্ডপে যান শমীক ভট্টাচার্য। এদিন তৃণমূল নেত্রীদের গেরুয়া শিবিরে যোগদান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলর বিজেপির টিকিট পাবেন না। তাঁদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে শমীকের বার্তা, ওঁদের শুভ বিজয়া। মানুষ বিজেপিকে নির্বাচনে জয়ী করে রাজ্যে ক্ষমতায় এনেছে। শুধুমাত্র জামার পরিবর্তন নয়, ভিতরের মানুষটার পরিবর্তনের জন্য।
উল্লেখ্য,বিজয়া দশমীতেই বিরোধীদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রধান বিরোধী শিবিরকে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এক শিবিরের ৬৪ জন তো হাত তোলার জন্য বসে আছে, যা নিয়ে নতুন করে দলবদলের জল্পনা তৈরি করে।
