Vaibhav Sooryavanshi: আগামী ছয়মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচকদের মাথা ব্যথার কারণ হবেন তরুণ ক্রিকেটার, ভবিষ্যদ্বাণী প্রাক্তনের
কলকাতা: জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পাওয়া তো আর মুখের কথা নয়। প্রতিবছর একটি করে আইপিএল অনুষ্ঠিত হয়, আর লড়াইটা আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তবে আগামী ছয়মাসের মধ্যে এক তরুণ ক্রিকেটার নাকি জাতীয় নির্বাচকদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে চলেছেন। এমনটাই মনে করছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ (Mohammed Kaif)। আর সেই ক্রিকেটারের নাম? না আন্দাজ করা একটুও কঠিন নয়। তিনি বৈভব সূর্যবংশী।

Ad
মহম্মদ কাইফ-এর ভবিষ্যদ্বাণী
কাইফের দাবি, আগামী ছ’মাসের মধ্যেই জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের প্রথম একাদশে জায়গা করে নেবেন বৈভব। আর সেই জায়গা তৈরি করতে সরে যেতে হতে পারে তিলক বর্মা কিংবা শিবম দুবের মধ্যে একজনকে। তাঁর কথায়, “আমি জানি তিলক দলের সহ-অধিনায়ক। কিন্তু সহ-অধিনায়করাও আগে বাদ পড়েছেন। শিবম দুবে প্রতি ম্যাচে রান করছেন না, তাঁকেও এখনও নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। ফিল্ডিংও তাঁর দুর্বলতা। তিনি প্রকৃত অলরাউন্ডার নন, মূলত ব্যাটার হিসেবেই খেলছেন। ছ’মাস পরে তিলক অথবা দুবের মধ্যে একজনকে বাদ পড়তে হবে। একজনকে সরাতেই হবে, আর সূর্যবংশী খেলবে। আমি এখনই এই কথা বলছি।”
মহম্মদ কাইফ : বৈভবে আস্থার কারণ
বৈভবকে নিয়ে কাইফের এতটা আত্মবিশ্বাসের পিছনে রয়েছে তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং। আইপিএলে নিজের বিস্ফোরক ব্যাটিং দিয়ে ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন এই তরুণ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও অভিষেক হয়ে গিয়েছে তাঁর। বয়স কম হলেও বড় মঞ্চে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলাই তাঁর সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
আরও পড়ুন: দলীপ ট্রফিতে ৫৭ বছরের পুরনো ইতিহাস ভেঙে চুরমার বৈভব সূর্যবংশীর
সুর্যবংশী নিজেকে কার্যকরী করে তুলছেন
শুধু ব্যাটিং নয়, দলের কাছে নিজের গুরুত্ব আরও বাড়াতে বল হাতেও নিজেকে তৈরি করছেন বৈভব। মহম্মদ কাইফ জানিয়েছেন, দুলীপ ট্রফিতেও বল করেছেন তরুণ ক্রিকেটার। তাঁর কথায়, “সূর্যবংশী দুলীপ ট্রফিতেও রান করেছে। ও নিজের খেলায় উন্নতি করেছে। সেখানে বলও করেছে। ও বুঝেছে, কয়েক ওভার বল করতে পারলে দলের কাছে ওর গুরুত্ব আরও বাড়বে।”
চাপ ও ধারাবাহিকতা মূলমন্ত্র: কাইফ
অবশ্য জাতীয় দলে জায়গা পাওয়া আর জায়গা ধরে রাখা এক নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ, ধারাবাহিকতা এবং বড় দলের বিরুদ্ধে পারফরম্যান্স—সবই বৈভবকে প্রমাণ করতে হবে। তবু কাইফের মন্তব্যে একটা বিষয় পরিষ্কার—ভারতীয় টি-টোয়েন্টির নির্বাচনী সমীকরণে বৈভব ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছেন। আগামী কয়েক মাসে তাঁর ব্যাট কথা বললে নির্বাচকদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হতে পারে—তরুণ বৈভবকে জায়গা দিতে সরে দাঁড়াবেন কে?
