বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

নতুন রূপে সেজে উঠল শুকনা স্টেশনের ডিএইচআর মিউজিয়াম

03 October, 2026 5:21 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: দুর্গাপুজোর ঠিক আগে পর্যটকদের জন্য দারুণ উপহার দিল উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে। প্রায় ১৪৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ইতিহাসকে জীবন্ত করে তুলতে নতুন রূপে সেজে উঠল শিলিগুড়ির শুকনা স্টেশনের ফটো গ্যালারি। গত শনিবার দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের উদ্যোগে স্টেশন মহোৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবের মাধ্যমেই নতুন আঙ্গিকে উদ্বোধন করা হয় ঐতিহ্যবাহী সংগ্রহশালাটির। শুকনা স্টেশনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের জেনারেল ম্যানেজার চেতন কুমার শ্রীবাস্তব, দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরি, এডিআরএম, স্টেশন মাস্টার সহ রেলের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বিশিষ্ট অতিথিরা। উদ্বোধনের পর অতিথিরা নতুন রূপে সেজে ওঠা মিউজিয়ামটি ঘুরে দেখেন এবং  ভূয়সী প্রশংসা করেন। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা এই মিউজিয়ামটিকে কাটিহারের ডিআরএম এবং দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ডিরেক্টরের যৌথ প্রচেষ্টায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। নতুন এই সংগ্রহশালায় রয়েছে শুকনা স্টেশনের অতীতের দুর্লভ ছবি, দার্জিলিঙের বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ছবি। পাশাপাশি রয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান পর্যন্ত দীর্ঘ যাত্রাপথের নানা অজানা অধ্যায়। এখানে রাখা হয়েছে বিশেষ কিউআর কোডের ব্যবস্থা। দর্শনার্থীরা প্রদর্শিত ছবির পাশে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট ছবি ও ডিএইচআর-এর ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন নিজের ডিভাইসে। পাহাড়মুখী পর্যটকদের কাছে এই মিউজিয়ামটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যাঁরা টয় ট্রেনের টিকিট কেটে যাত্রা করবেন, তাঁদের টিকিটের সঙ্গেই থাকবে মিউজিয়াম দেখার সুযোগ। ট্রেন শুকনা স্টেশনে পৌঁছানোর পর পর্যটকরা কোনও অতিরিক্ত মূল্য ছাড়াই এটি ঘুরে দেখতে পারবেন। যারা শুধুমাত্র মিউজিয়ামটি দেখতে আসবেন, তাঁদের জন্য প্রবেশমূল্য ধার্য করা হয়েছে ৫০ টাকা। সপ্তাহের সাত দিনই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে  মিউজিয়াম। শিলিগুড়ি থেকে পাহাড়ের পথে যাত্রা শুরু করার অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হল এই শুকনা স্টেশন। পুজো বা ছুটির মরশুমে দার্জিলিংগামী পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনের নস্টালজিয়া এবং পাহাড়ের রেলওয়ের ইতিহাসকে একসঙ্গে উপভোগ করার জন্য শুকনা স্টেশনের এই নতুন রূপ এক নতুন মাত্রা যোগ করবে পর্যটকদের কাছে।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik