বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

বাঙালি মুসলিমরা সবসময় শাসকদলের পক্ষে থাকেন, উপনির্বাচনে ব্যাপক জয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

09 October, 2026 4:06 PM Sandipan Saha
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, কলকাতা: বুধবার ভোটের পর আজ শুক্রবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের ভোটগণনা শুরু হয়। সময় যত এগিয়েছে, ততই হাসি ফুটেছে গেরুয়া শিবিরের সমর্থকদের মুখে। এক এক রাউন্ডের ভোট গণনা শেষ হয়েছে, বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে বিরোধী দলের প্রার্থীদের ভোটের মার্জন বেড়েছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রবল গেরুয়া ঝড়ে কুপোকাৎ বিরোধী দলের প্রতিটি প্রার্থী।

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী ১ লাখের বেশি ভোটে জিততে চলেছেন। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়েছিলাম। সেই ধারাবহিকতা বজায় রেখেছেন নন্দীগ্রামের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী জানান,আমার জয়ের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন হাসিরানি রথ। রেজিনগরেও বিজেপি প্রার্থী  আশীর্বাদ পেয়েছেন বহু মানুষের। তিনি দাবি করেন উপনির্বাচনে কোনও বোমাবাজি বা গুলি চলেনি। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। আর তাতেই মানুষের আশীর্বাদ স্পষ্ট। কথা দিচ্ছি, আগামী ৫ বছরে উচ্চতার শিখরে পৌঁছবে পশ্চিমবঙ্গ।

রেজিনগরের ফলাফল প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রেজিনগরে আমাদের প্রাপ্ত ভোটের বেশিটাই সংখ্যালঘুদের দেওয়া। আমি রেজিনগরের মানুষকে কথা দিয়েছিলাম, আমাদের পাশে থাকলে আমরা রেজিনগরের উন্নয়ন কাজ শুরু করব। রেজিনগরের মানুষ কথা রেখেছেন, এবার দেখুন, কীভাবে উন্নয়নের কাজ সেখানে হয়। আমরা জানতাম, সংখ্যালঘু মানুষরা আমাদের পাশে এবং একইসঙ্গে উন্নয়নের পাশে থাকবেন। অআমরা দেখেছি, এরাজ্যে সংখ্যালঘু মানুষরা সবসময় সরকারের সঙ্গেই থাকেন।

উৎসব মিটলে তারপর পুরভোটের ঘোষণা করে শুভেন্দু বলেন, সেই পুর নির্বাচনে বিরোধীরা বুঝবেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একমুখী। পুরভোটে আরও একটা ‘ঝাঁকি’ হবে।

রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার বলছেন, সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, এ সব কথা বলবেন না। এসব শুনে বাংলার মানুষ ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে। বাংলায় এখন একটাই ক্যাসেট বাজবে, এখানে উন্নয়ন চাই, রেজিনগরে কলেজ চাই, শিল্প চাই। সংখ্যালঘু মানুষরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল, তখন তাঁরা কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। পরবর্তীকালে যখন বামেরা ক্ষমতায় এল, তখন তাঁরা বামেদের সঙ্গে ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ে সংখ্যালঘুরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন। এখন শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সংখ্যালঘুরা নিজেদের উন্নয়নের স্বার্থে হই হই করে সবাই বিজেপি-কে ভোট দিয়েছেন।

 

প্রতিবেদন

Sandipan Saha