বিবাদের জেরে স্ত্রীকে কোপানোর অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
সংবাদদাতা, মালদহ: স্বামী–স্ত্রীর বিবাদের জের। গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় ভাড়া বাড়ির ছাদে পড়ে থাকতে দেখা যায় গৃহবধূকে। মঙ্গলবার বিকেলে নৃশংস এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদহের চাঁচল শহরের আদর্শপল্লি এলাকায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গৃহবধূকে প্রথমে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত স্বামী।
পালিয়ে গেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনও।
আহত গৃহবধূর নাম সাইনা খাতুন (২৪)। বাড়ি চাঁচল থানার নওগাছিয়া গ্রামে। বছর তিনেক আগে চাঁচল থানার ইসমাইলপুরের বাসিন্দা জাহিরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরই স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। আহতের বাপেরবাড়ির লোকজনের দাবি, অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সাইনা চাঁচল শহরের আদর্শ পল্লি এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে স্বামীও থাকতেন। মঙ্গলবার বিকেলে আচমকাই তাঁদের মধ্যে বিবাদ শুরু হয় বলে অভিযোগ। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাইনাকে লাগাতার কোপানো হয়। আহত হয়ে ভাড়া বাড়ির ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন সাইনা। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসতেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে গৃহবধূর পরিবার। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
