রবিবারও উত্তপ্ত দিল্লি, আহত হয়ে হাসপাতালে সাংসদ ব্রিটাস
সংবাদদাতা, দিল্লি: রবিবারও একই ছবি। দিল্লির রাস্তায় ফেলে মারধর করা হচ্ছে প্রতিবাদীদের। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে চলা আন্দোলন দমাতে এদিনও বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। সকালে প্রতিবাদ করতে এলে সিপিআইএম সাংসদ জন ব্রিটাসকে মেরে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই ব্রিটাসকে স্থানীয় এক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন তাঁকে প্রায় চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশের বাহিনী। পাশাপাশি এসএফআই সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ সাজিকেও নির্মমভাবে আক্রমণ করেছে পুলিশ। তাঁকে রাজীব চকের কাছে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এসএফআইর কর্মী এবং নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন যে, অস্থায়ী একটি জায়গায় আটকে রেখে তাদের লাথি মারা হয়েছে। কিলচড়ের মুখেও পড়তে হয়েছে। রবিবারও দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় বিশাল বাহিনী নেমেছে। এদিনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি আন্দোলনকারীদের গাড়িতে তুলে নিয়ে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় ৫ জনের বেশি পড়ুয়া দেখা গেলেই আটক করা হচ্ছে তাদের। যন্তর মন্তরে এদিনও রয়েছে কড়া নিরাপত্তা বলয়। শনিবারের পর এদিন ফের জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে চলতে থাকে বিক্ষোভ। সিজেপি, এসএফআই সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন শামিল থেকেছে বিক্ষোভে। বিক্ষোভে নামেন বামপন্থীরা। সাংসদরাও শামিল হন।
উল্লেখ্য,শনিবার বিক্ষোভে দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মারমুখী চেহারা দেখা গিয়েছে। প্রায় ৬ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। আটক করা হয় চার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পিনারাই বিজয়ন এবং মানিক সরকারকে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সারা দেশে চলছে বিক্ষোভ। এসআইআর’র নামে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এবং ভোটার তালিকায় খেয়ালখুশি মতো কারচুপির অভিযোগ তুলে বিরোধীরা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
