কলকাতায় ফিরলেন অভিনেতা খরাজ, সোনারপুরে ফোন লোপামুদ্রার, বাকিরা এখনও উদ্বেগেই !
নিজস্ব প্রতিবেদন : হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল ।
সময় যত গড়াচ্ছে ততই লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে কলকাতা-সহ বাংলার প্রতিটি কোণে বাড়ছে উদ্বেগের বহর। কৈলাস ও মানস ভ্রমণে বেড়িয়ে নেপালে নিখোঁজ বাংলার ৩২ জন। বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁদের লাগাতার খোঁজ চলছে। এরমধ্যে কলকাতায় ফিরেছেন অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়। স্ত্রী প্রতিভা মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে কলকাতা বিমান বন্দর থেকেই এক ভিডিও বার্তায় নেপালের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন অভিনেতা।
ওই ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমি এবং স্ত্রী প্রতিভা কলকাতায় ফিরলাম। আমরা পোখরায় শুটিং করতে গিয়েছিলাম। তার পর অনেক সমস্যা পেরিয়ে গোরখপুরে আসি। সেখান থেকে কলকাতায়। বহু মানুষ চিন্তাপ্রকাশ করেছেন। সকলের ভালবাসায় আমরা সাবধানে কলকাতায় ফিরতে পেরেছি। আগামী দিনে আরও অনেক ভাল কাজ উপহার দেব আশা করছি।” বাংলাদেশের একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য নেপালে শুটিং করতে গিয়েছিলেন খরাজ মুখোপাধ্যায়।
কিন্তু বাকিরা ?
উদ্বেগ বাড়ছে বারাসত থেকে চন্দননগরের। এরমধ্যে খানিকটা স্বস্তি সোনাপুরের। এখানকার বাসিন্দা লোপামুদ্রা কুণ্ডু । পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে দিকে তাঁর বাড়িতে ফোন আসে। কথা হয়েছে স্বামীর সঙ্গে। কিন্তু এখনও যোগাযোগ নেই বারাসতের বাসিন্দা সুস্মিতা ভট্টাচার্যের। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ আগষ্ট কলকাতার একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে গিয়েছিলেন সুস্মিতা। সোমবার মনোস সরোবর যাওয়ার কথা ছিল। নেপাল তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন কেরুং-এর কাছে হরপা বান আসে। তারপর থেকে এখনও খোঁজ মেলেনি সুস্মিতার।
প্রায় একই অবস্থা চন্দনগর-সহ বাকি এলাকার পরিবারদের। ইতিমধ্যে রাজ্যের নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধারে তৎপর প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিনিয়ত দিল্লি ও কাঠমান্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নেপালের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮৫ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে।
