রাহুল গান্ধীর ভবিষ্যৎ বিচার
জ্যোতিষাচার্য উৎপলকুমার দাস
রাহুল গান্ধীর জন্ম ১৯ জুন ১৯৭০। তাঁর জন্মছক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে তাঁর চন্দ্রের মহাদশা চলছে, যা ২৯ এপ্রিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে। চন্দ্রের এই মহাদশা তাঁর ক্ষেত্রে বিশেষ শুভ নয়। চন্দ্র জাতকের রাশিচক্রে নীচস্থ এবং বুধের নক্ষত্রে থাকায় প্রায়ই ভুল সিদ্ধান্ত বা অন্যের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। রবি ও মঙ্গল জাতকের লগ্নের ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এই দু’টিই অগ্নিগ্রহ। তাই জাতকের জেদ এবং রাগ অত্যন্ত প্রবল। এই বিষয়টি ওঁর কর্মস্থান অর্থাৎ রাজনীতির ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এক্ষেত্রে অযথা শত্রু তৈরি হবে। পারিবারিক বা গৃহস্থানে শনি নীচস্থ থাকায় জাতকের সাংসারিক জীবন গড়ে ওঠেনি। মায়ের শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। এই ক্ষেত্রটি আগামী নভেম্বর পর্যন্ত যে বিশেষ অশুভ, সেটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সময়ে জাতকের রাজনৈতিক কেরিয়ারও খুব একটা ভালো নয়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জাতকের লগ্নের অষ্টম স্থানে কেতুর অবস্থান। অর্থাৎ গুপ্ত শত্রুতা থাকবেই। গুপ্ত শত্রুরা আঘাত হানতে পারে। এই বিষয়টি গান্ধী পরিবারের অতীত ইতিহাসেও ছড়িয়ে রয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত বিশেষ সাবধান থাকতে হবে। কারণ ওই সময় পর্যন্ত রাহুর গোচর দেখা যাচ্ছে তাঁর জন্মছকে। নিরাপত্তার দিকটি অত্যন্ত কঠোর করা প্রয়োজন। জাতকের চন্দ্র নীচস্থ এবং তা বুধের নক্ষত্রে রয়েছে। ফলে জাতক বুঝে বা না বুঝে এমন অনেক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করে ফেলেন, যা পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয় এবং জাতকের হতাশার কারণ হয়। রাহুল গান্ধীর জন্মছকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সেভাবে কোনও রাজযোগের লক্ষণ দেখা যাওয়া যাচ্ছে না।
