বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
চোরবাগানের শিল্পী সুশান্ত পালকে তলব লালবাজারের মানহানি মামলায় নির্দোষ রাহুল গান্ধী মেডিকেল কলেজে রোগীর মৃত্য়ু, তদন্ত কমিটি গঠন প্রেমিক ও তাঁর পরিবারকে নগ্ন করে হাঁটানোর অভিযোগ

রাজনীতি থেকে অবসরের ইঙ্গিত ফিরহাদ হাকিমের, পুরভোটে না লড়ার ঘোষণায় জল্পনা

27 October, 2026 3:38 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, কলকাতা: আসন্ন কলকাতা পুরনিগম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার কথা ঘোষণা প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। একই সঙ্গে ২০৩১ সালে বিধায়ক হিসেবে মেয়াদ শেষ হলে সক্রিয় রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বয়স বাড়ার কারণে মানুষের জন্য কাজের ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তাঁর মতে, জেন জি বা নতুন প্রজন্মকে রাজনীতিতে এগিয়ে আসার সুযোগ দিতে হবে। তরুণরা মানুষের আস্থা অর্জন করলে তাদের হারানো কঠিন হবে। তবে রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিতের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের আনুগত্যও স্পষ্ট করলেন ফিরহাদ।

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রক্তের সম্পর্ক বেছে নিয়েছেনএমন মন্তব্য করায় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে বিতর্ক ও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। দুই দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক যাত্রায় কাউন্সিলর থেকে দু’বারের মেয়র পদে থাকা ফিরহাদ হাকিমের এই সিদ্ধান্ত কলকাতার পুররাজনীতিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি কে হবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর এই ঘোষণা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ফিরহাদের মন্তব্যের পরই পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল বিধায়ক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, মেয়র পদ থেকে ফিরহাদের ইস্তফা দেওয়ার কোনও প্রয়োজন ছিল না। তিনি পদে থেকে মানুষের পরিষেবা দিতে পারতেন। কুণালের অভিযোগ, ফিরহাদের সিদ্ধান্তের ফলে সরকার পুরনিগমের উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছে। কুণাল আরও অভিযোগ করেন, ফিরহাদ নিজের রাজনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্থানের সময় তাঁর কাছ থেকে যে সুযোগ ও গুরুত্ব পেয়েছিলেন, তার প্রতি যথাযথ আনুগত্য দেখাননি। বিজেপির সঙ্গে তাঁর অবস্থান নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূল মুখপাত্র। ফিরহাদের ‘রক্ত বনাম ভক্তি’ মন্তব্যের প্রসঙ্গেও পাল্টা প্রশ্ন তোলেন কুণাল। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ফিরহাদ কেন এই কথা বলেননি? সেই সময় তিনি শুধু কলকাতার মেয়র ছিলেন না, রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যও ছিলেন।

প্রতিবেদন

UTSAB RC