প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রস্তুতি পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী

সংবাদদাতা, কলকাতা: দশমীর সকালে বাজেকদমতলা ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ বারের পুজোয় ধর্মীয় ঐতিহ্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তিরাই কেবল প্রতিমায় হাত দেবেন। বিসর্জনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এর মধ্যে কোনও সাম্প্রদায়িকতা নেই বলেই তাঁর মত।
প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রে এবার বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে ক্রেনে প্রতিমা তোলার ফলে মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠছিল। মানুষের আবেগ ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে এবার ক্রেনের পরিবর্তে ঘাটে বিশাল ট্রলি আনা হয়েছে। পাশাপাশি, নিরঞ্জনের সুরক্ষায় কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি এনডিআরএফ–কে যুক্ত করা হয়েছে। বিসর্জন সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই দ্রুত ঘাট পরিষ্কার ও কাঠামো সরানোর কাজ শুরু হবে।
অন্যদিকে, টাকির ইছামতীতে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। প্রতিমা ছাড়াও প্রায় ২০০টি নৌকায় দর্শনার্থীরা উপস্থিত থাকেন। জনস্রোত ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএসএফ, এনডিআরএফ এবং জেলা প্রশাসনের কড়া নজরদারি রাখছে। নিরাপত্তার স্বার্থে লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করতে একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং বারাসত রেঞ্জের ডিআইজি–কে সেখানকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
