রাহুলের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেই মোদি-বিরোধী আন্দোলনের ছক, তোপ বিজেপির
সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: “রাহুল গান্ধীকে নতুন করে লঞ্চ করা হচ্ছে।” এমনই জানালেন বিজেপির মুখমাত্র সম্বিত পাত্র। ইন্ডিয়া জোটের কমিশন অভিযানের দিনই দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন সম্বিত। তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও সাংবিধানিক সংস্থাকে অপমান করে দেশে অরাজকতা তৈরি করা এবং রাহুল গান্ধীকে নতুন করে রাজনৈতিক ভাবে “লঞ্চ” করাই এই বিক্ষোভের আসল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, বারবার চেষ্টা করেও গণতান্ত্রিক পথে রাহুলকে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। তাই কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা এখন যে কোনও মূল্যে তাঁকে ফের সামনে আনতে চাইছে। সেই ছকেই কখনও সেনাবাহিনী, কখনও সুপ্রিম কোর্ট, কখনও ইভিএমকে আক্রমণ করা হয়েছে বলেও দাবি পাত্রের। সাংবাদিক বৈঠকে সম্বিত পাত্র বলেন, SIR-এর ফর্ম ৬ নিয়ে রাহুল জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন, কারণ সুপ্রিম কোর্ট ফর্ম ৬-কে অবৈধ ঘোষণা করেনি এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত ছিল সর্বসম্মত। তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে দেশের বাইরে ষড়যন্ত্র করছেন দেশবিরোধীরা। তাঁরা চায় না এই দেশ এগিয়ে যাক। তিনি জানিয়েছেন, দেশের মানুষ মোদিজীর উন্নয়নের যজ্ঞে পাথরের মতো আটকে থাকবে।
जो देश की ख़ातिर हैं लड़ते
वो गिरफ़्तारी से नहीं हैं डरतेBJP ही CEC है।
देश का एकमत, CEC दे त्यागपत्र!
‘ONE NATION, ONE ELECTION’ की थोथी बात करनेवालों का असली मंसूबा और ‘चंडीगढ़ी चाल’ ये है कि एक बार में ही चुनाव कराकर सब निपटा दो, बार-बार घपला करने की ज़रूरत ही न पड़े। घपला-घोटाला जितनी कम बार होगा, पकड़े जाने की आशंका भी उतनी ही कम होगी।
दरअसल ONE NATION, ONE ELECTION की जगह, इन भाजपाइयों को कहना चाहिए ‘ONCE CORRUPTION, ONCE ELECTION’.
मतलब अब केवल एक और बार ही चुनाव करवाने की साज़िश है, फिर कभी चुनाव होगा ही नहीं।
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) October 6, 2026
এদিকে বিজেপিকে বিক্ষোভ স্থল থেকেই আক্রমণ করেন অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়-সহ একাধিক নেতা। অভিষেক ইন্ডিয়া জোটের এই কর্মসূচির অন্য়তম মুখ। তিনি বলেন, বাংলার বিধানসভা ভোটের ১০০টি গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করার সাহস দেখাক নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার দিল্লিতে কমিশনের কার্যালয়ের সামনে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ মিছিলে দাঁড়িয়ে এমনই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ওই অভিযানকে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। তারই জবাবে সরাসরি বিজেপি ও সিইসি-কে নিশানা করেন অভিষেক। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একতরফা সিদ্ধান্ত এবং ইভিএম ও ভোটার তালিকায় বেআইনি রদবদলের অভিযোগ ফের তোলেন অভিষেক। তাঁর প্রশ্ন, ওই গণনা কেন্দ্রগুলিতে বিকেল ৫টার পর বিরোধীদের কোনও কাউন্টিং এজেন্ট আদৌ ছিলেন কি না। তাঁর দাবি, সেই ফুটেজ প্রকাশ্যে এলেই বিজেপির কারচুপি এবং কমিশনের সহযোগী ভূমিকা প্রমাণ হয়ে যাবে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর অবিলম্বে স্থগিত না হওয়া পর্যন্ত ইন্ডি জোট রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও স্পষ্ট জানান তিনি।
Vote Chor, Gaddi Chhod https://t.co/OpZgjfYOdP
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 6, 2026
From a list of 100 Assembly Constituencies we share, Gyanesh Kumar and @ECISVEEP must come clean and release the CCTV footage of counting centres.
If they are so confident that there was nothing to hide and no wrongdoing, then release the CCTV footage of the counting process.
Let the evidence speak for itself.
Release the CCTV footage!#SaveDemocracy
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 6, 2026
জ্ঞানেশজি নন, গণেশজি বিজেপিকে সাহায্য করছেন। গণেশ জ্ঞান, বুদ্ধি ও বিবেকের দেবতা। মিছিল শুরু হওয়ার আগে এমনই বলেন সম্বিত পাত্র। তিনি জানান, মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্ঞানেশ কুমার নিযুক্ত হয়েছেন ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, আর ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন এবং বহু রাজ্যের ভোট তাঁর নিয়োগের আগেই হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ বিজেপির জয়ের কৃতিত্ব তাঁর নয়, এটাই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভারতের মানুষের জ্ঞান ও বুদ্ধি আছে, তাই তাঁরা বংশ পরম্পরার রাজনীতি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের পক্ষে থাকা লোকেদের ভোট দেন না। কমিশন ও সিইসি-কে বাঁচাতে বিজেপি ধর্মীয় রাজনীতি টানছে, এই অভিযোগ তোলেন অভিষেক। তাঁর কথায়, কেউ জ্ঞানেশ কুমারকে “ভগবান গণেশ”-এর মর্যাদা দিতে চাইলে সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু বিজেপির মনে রাখা উচিত, রামমন্দির নিয়ে রাজনীতি করেও অযোধ্যায় হেরেছে তারা। এ বার জ্ঞানেশ কুমারের নাম ভাঙিয়ে স্বয়ং গণেশকেও রাজনীতির ময়দানে টেনে আনা হয়েছে, কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হবে না, বলেন অভিষেক। অখিলেশ যাদব জানান, “নির্বাচন কমিশনই বিজেপি, এটা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের পদত্য়াগ নিয়ে দেশ একমত। এক দেশ এক নির্বাচনের পরিবর্তে এক দুর্নীতি-এক নির্বাচন নাম রাখা উচিত।”
हम संविधान और लोकतंत्र के सिपाही हैं, वोट चोर हमें क्या रोक पाएंगे!
जिसने भी भारत से गद्दारी की है – सब पकड़े जाएंगे। https://t.co/u7f6KnHaew
— Congress (@INCIndia) October 6, 2026
এদিন কমিশন অভিযান থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ আটক করা হয় অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, ডেরেক ও ব্রায়ান, মহুয়া মৈত্রের মতো সাংসদদের। পরে যদিও ছেড়েও দেওয়া হয় তাঁদের। এদিনের অভিযান নিয়ে কটাক্ষ করেন সুধাংশু ত্রিবেদীও। তিনি জানিয়েছেন, আকাশবাণী ভবনে জোর করে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রাজ্য় সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “ইন্ডিয়া জোট বলে কোনো জোটের অস্তিত্ব আছে বলে আমার মনে হয় না। আমাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তিনি ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে রাহুল গান্ধীর কর্তৃত্ব বা অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে মল্লিকার্জুন খাড়গের নাম ঘোষণা করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।” তাঁর মতে, দেশের সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেই উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও এভাবেই দেশ এগোবে”।
