আগামীর ভারতের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি
জ্যোতিষাচার্য উৎপল দাস: আগামী অক্টোবর পর্যন্ত দেশের আর্থিক পরিস্থিতি সবদিক থেকেই বেশ ভালই যাবে বলা যায়। অন্তত রাশি নক্ষত্রের অবস্থান তাই বলছে। ২০ অক্টোবর ২০১৬ থেকে বৃহস্পতির গোচর অবস্থানের কারণে সিংহরাশি, বৃশ্চিক রাশি, কুম্ভ রাশি এবং মেষরাশির জাতক বা জাতিকারা অর্থিকক্ষেত্রে আরও ভাল ফল পেতে পারেন। তবে বলে রাখা ভাল যে, ব্যক্তিগত রাশিচক্র অনুসারে ফলের তারতম্য হতে পারে। তার জন্য বিশেষ কোনও জ্যোতিষী বা সংখ্যাতত্ত্ববিদের সাহায্য নিলে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে। রূপোর দাম ভবিষ্যতে আকাশ ছোঁবে। ৩০ অক্টোবরের পর থেকে তামা ও সোনার বাজারের ওপরে নজর রাখলে আর্থিক দিকে লাভবান হতে পারেন। ১০ ডিসেম্বরের পর থেকে ৮ জুন ২০২৭ পর্যন্ত মাটির তলার জিনিসপত্র যেমন, অপরিশোধিত তেল, লোহা এবং ইমারতি দ্রব্য যেমন বালি, সিমেন্ট, স্টোনচিপসের ওপর বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। এছাড়াও লিথিয়াম, ব্যাটরি বা ওই জাতীয় পণ্যের বাজার আরও উন্নত হবে। ৩০ অক্টোবর ২০২৬ থেকে সৌরশক্তিমূলক পণ্যের বাজারও অত্যন্ত ভাল হবে। যাঁরা শেয়ার বাজার নিয়ে কাজকর্ম করেন তারা এই বিষয়ে নজর দিলে ভাল ফল পাবেন। সোনার বাজার চড়া হলেও সেখানে লাভ তেমন নাও হতে পারে। নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সোনার দর ওঠানামা করবে। ১৩ এপ্রিল ২০২৭ থেকে ভারতের অর্থনীতি বেশ কিছুটা চাঙ্গা হতে পারে। ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতবর্ষের বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি হবে। নভেম্বর ২০২৬–এর পর থেকে আগামী দেড় বছর গাড়ি শিল্পে নতুন দিশা দেখা যাবে। এই শিল্প দ্রুত উন্নতির শিখরে যাবে। সাধারণ মধ্যবিত্তের মধ্যে বাহন কেনার প্রবণতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। যা গাড়ি শিল্পের পক্ষে অত্যন্ত শুভ হয়ে দেখা দেবে। ২৪ জুন ২০২৭ থেকে ভারতবর্ষ জলপথ পরিবহণের ক্ষেত্রে এক নতুন পথ খুঁজে পাবে। আগামী নভেম্বরের পর থেকে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে পারে। এই সেক্টরে নতুন কোনও সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে ই–কমার্স সংস্থাগুলি কাজের ক্ষেত্রে বেশ চাপের মুখে পড়তে পারে। যা পরবর্তীতে কোনও নতুন পথের দিশা দেখাতে পারে।
