বিপ্লবীদের লড়াইয়ের ইতিহাস ধরে রেখেছে আলিপুর জেল মিউজিয়াম
সুনেত্রা সেনগুপ্ত : সে এক কঠিন সময়। সালটা ১৯০৬। স্থাপিত হল আলিপুর সেনট্রাল জেল। ব্রিটিশ রাজের শাসন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে যে যখন গর্জে উঠেছেন, বার বার এই আলিপুর জেলের কালকুঠুরিতেই ঠাঁই হয়েছিল তাঁদের। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর সেই তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে ঐতিহাসিক জেল বা সংশোধনাগার রূপান্তরিত হল মিউজিয়ামে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের উদ্যোগে তৈরি এই জাদুঘর একবার ঘুরে না দেখলে অনেক কিছুই অজানা থেকে যাবে।
আলিপুর জেলের বয়স প্রায় 160 বছরের বেশি । 2022 সালে হিডকো এই জেল সংরক্ষণ করে তার ইতিহাস সাধারণের কাছে তুলে ধরতে মিউজিয়াম তৈরি করে । কলকাতার বুকে চিড়িয়াখানা, বিড়লা তারামণ্ডল, জাদুঘরের মতো সাধারণ মানুষের ছুটি কাটানোর অন্যতম গন্তব্য হয়ে ওঠে এই জেল মিউজিয়াম ।বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জেল জীবনের নানা অজানা কথা জানার কৌতূহল নিয়ে হাজির হচ্ছেন অনেকেই । কিভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামীরা কুঠুরিতে দিন কাটাতেন । তাঁদের খাবার, পোশাক, জেলবন্দি সময় কাজকর্ম, জেলে ইংরেজ পুলিশের অত্যাচার, ফাঁসির কাঠ দেখতে আসেন আগ্রহী দর্শনার্থীরা।
শুধু বইয়ের পাতায় এতদিন যে পড়ুয়ারা এসব পড়ছিল। তাদের ভিড় থাকে আলিপুর জেল মিউজিয়ামে কিছুটা বেশি। আলিপুরে এসে সরেজমিনে চাক্ষুষ করতে পারেন সে সবগুলি সেই টানেই বহু মানুষ এ দিন হাজির হন মিউজিয়ামে । পাশাপশি স্কুল শিক্ষকরা তাদের আগামী প্রজন্মকে স্বাধীনতা সংগ্রামী ও তাঁদের জেল জীবনের নানা ঘটনা জানাতে ও চাক্ষুষ করাতে এই মিউজিয়াম নিয়ে আসেন। ঘুরে দেখে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন পড়ুয়া ও শিক্ষকরা
