চোরবাগানের ঘটনায় গভীর শোক প্রধানমন্ত্রীর
সংবাদদাতা, কলকাতা: চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে ১ শিশুসহ ১৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার রাতে মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর। পাশাপাশি আহতদের পরিবারপিছু দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা। পুরো টাকাই প্রাইম মিনিস্টার ন্যাশনাল রিলিফ ফান্ড থেকে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়েছে, ‘কলকাতায় পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হচ্ছে।’ স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকমের সাহায্য করছে বলেও জানানো হয়েছে পোস্টে।
কলকাতায় পদপিষ্টের ঘটনা দু:খজনক। শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানাই।আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্ভাব্য সবধরণের সহায়তা প্রদান করছে।
— Narendra Modi (@narendramodi) October 17, 2026
এদিকে দুর্ঘটনার পরই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো। ঘটনার পর বন্ধ রাখা হয়েছে শহরের অন্য আরেকটি বড় পুজো টালা প্রত্যয়ও।নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো করে খতিয়ে না দেখা পর্যন্ত আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে অ্যালেন পার্ক, চেতলা অগ্রনী। আলিপুর সর্বজনীনের মণ্ডপে দর্শক প্রবেশও।
সপ্তমীর সন্ধেয় এই মর্মান্তিক ঘটনার দায় কার তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন প্যান্ডেলের জরুরি গেটটি তালা দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল তা নিয়েও। সেই সঙ্গে অ্যাম্বুল্যান্সের দেরিতে আসা, মৃত ও আহতদের উদ্ধারে পুলিশ ও পুজো কমিটির তৎপরতার অভাব, পুজো প্যান্ডেলে চূড়ান্ত অব্যবস্থা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। সেই সঙ্গে থিমের বাড়াবাড়িতে পুজো মণ্ডপের ভেতরে যেভাবে আলো কম করে দেওয়ার রেওয়াজ শুরু হয়েছে তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, দর্সনার্থীদের যাতায়াতের পথ যথেষ্ট চওড়া না থাকা নিয়েও।
