দুর্গা পুজোর সমন্বয় সমিতির বৈঠকে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত
সংবাদদাতা, কলকাতা: সংবাদদাতা, কলকাতা: মহালয়ার আর বাকি মাত্র ১০ দিন। তার আগে বুধবার অনুষ্ঠিত হল দুর্গা পুজোর সমন্বয় সমিতি বৈঠক। যেখানে শারদীয়াকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই কমিটির চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন কার্তিক মহারাজ। পশ্চিমবঙ্গ দুর্গা পুজো সমন্বয় সমিতি হল রাজ্যে দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের সংগঠিত ফোরাম। রুদ্রনীল ঘোষকে প্রধান উদ্যোক্তা করে গঠন করা হচ্ছে পুজো উদ্যোক্তাদের এই নতুন সংগঠন। এদিন কলকাতা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হল সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।
সংগঠনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে—
• জেলার বিভিন্ন পুজো কমিটিকে প্রশাসনিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের সুযোগ করে দেওয়া।
• রাজ্যের বিভিন্ন জেলার উল্লেখযোগ্য পুজোগুলিকে সম্মাননা ও স্বীকৃতি দান ।
• বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত দুর্গা পুজোগুলিকে একই ছাতার তলায় এনে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানের সুযোগ করে দেওয়া।
• কুমোরটুলির শিল্পী ও প্রতিমা শিল্পীদের দেশ–বিদেশে পৌঁছে দিয়ে তাদের পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে আসা।
• বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাকশিল্পীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের কাজকে মর্যাদা দেওয়া।
• দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুরোহিতদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়া প্রভৃতি।
ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে কমিটির ওয়েবসাইট। dpssinfo.com। এই এর মাধ্যমে সমিতির পক্ষ থেকে পুজোর সমস্ত তথ্য দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ঘরে বসেই মানুষকে পুজো দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে বলেও জানানো হয়ে পুজো সমিতির পক্ষ থেকে।
রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়েছেন, প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কমিটি ইতিমধ্যেই সমিতির সদস্য হয়ে গেছে। তাড়াতাড়ি এটা হাজারের কাছাকাছি হয়ে যাবে। আরও যারা আছেন তাদেরকেও বলব যুক্ত হোন। বিশ্বময় যাতে বার্তা ছড়িয়ে যায়। আমরা সব পুজোর লাইভ স্ট্রিমিং দেখব। জেলায় যে বাড়ির পুজো বা বারোয়ারি পুজো হবে সেগুলোও থাকছে। ভিআইপি বলে কোনও তকমা নেই। অনেক পুজো কমিটি এসেছে। মায়ের জন্য সবাই জড়ো হয়েছে। লোগো ও ওয়েবসাইট উদ্বোধন হল। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যুক্ত হওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হবে। দমকল, পুলিশ যাঁরা জীবনদায়ী কাজে আছেন তারা তাঁদের কাজের জন্যই ভিআইপি। ইতিপূর্বে অনেক পুজো কমিটি ভিআইপি কার্ডের মাধ্যমে পয়সা লেনদেন করেছে।
এবার আর তা হবে না।
