মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা বিজয় থালাপতির ভাগ্যবিচার
জ্যোতিষাচার্য উৎপলকুমার দাস
বিজয় থালাপতির জন্ম ২২ জুন ১৯৭৪। জ্যোতিষ বিচারে দেখা যাচ্ছে জাতকের কন্যালগ্ন এবং কর্কট রাশি। তাঁর ভাগ্যস্থানে শুক্র স্বক্ষেত্রে কেতুর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ফলে বিনোদন জগতে অত্যন্ত সামান্য অবস্থা থেকে উল্কার গতিতে তাঁর উত্থান একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। শিল্প, সংস্কৃতি বা বিনোদন জগতে তুমুল প্রতিপত্তি এনে দেয় শুক্র। এর পাশাপাশি বিজয় থালাপতির কর্মস্থানে বসে রয়েছে রবি। স্বক্ষেত্রে রয়েছে শনি এবং বুধ। তাঁর কর্মভাগ্য বিশেষ শুভ। কর্মক্ষেত্রে তিনি শীর্ষে পৌঁছাবেন। কিন্তু মাঝেমধ্যেই তাঁর স্বাভাবিক কর্মের গতিতে ছেদ পড়বে। কর্মক্ষেত্রে সম্মানহানির যোগ প্রবল। যার ফলে মৌলিক কাজে নিজের অবস্থান ঠিকঠাক ধরে রাখতে সমস্যা দেখা দেবে। জাতকের জন্মকুণ্ডলীর পঞ্চম ঘরে চন্দ্র ও মঙ্গল দৃষ্টি দিচ্ছে। এই ধরনের জাতক বা জাতিকারা জনপ্রিয়তাকে কাজ লাগিয়ে জীবনে সাফল্য লাভ করেন। যদিও সেই জনপ্রিয়তা বেশিদিন স্থায়ী নাও হতে পারে। নভেম্বর ২০২৬–এর শেষ থেকে আগামী দেড় বছর জাতকের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাবে। জনগণের সঙ্গে তাঁর সংযোগ বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে ভাটা পড়তে পারে। বন্ধুর বেশে থাকা কিছু দুষ্ট লোক বিজয়ের এই সমস্যার পেছনে প্রধান কারণ হয়ে দেখা দিতে পারেন। জাতকের সপ্তম ভাবের অবস্থান শুভ না হওয়াতে পারিবারিক বা বৈবাহিক ক্ষেত্র খুব একটা ভালো যাবে না। এজন্য আর্থিক ক্ষতিও অস্বাভাবিক নয়। অতিরিক্ত স্পর্শকাতর কোনও বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারলে সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এরকম কোনও ব্যাপারে নিজেকে জড়ানো একেবারেই ঠিক হবে না। তাই অতিরিক্ত আবেগের বশে কোনও কাজ না করাই ভালো। এতে জাতকের কর্মস্থানে সার্বিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকছে। আবেগপ্রবণতা জাতকের জন্য অত্যন্ত হানিকর। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত সচেতনার সঙ্গে পদক্ষেপ করতে হবে। আরও পরিণত না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া বা বিতর্কিত কোনও মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।
