মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের প্রশংসা উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর
সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ির চিনপাইয়ে এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধিরা হলেন জনসেবক। এলাকার মানুষ তাঁদের ভালোবেসে জিতিয়েছেন, তাই কোথাও কোনও বেচাল বা অনিয়ম দেখলে সাধারণ মানুষের তাঁদের কানমোলার বা সতর্ক করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, প্রতিশ্রুত উন্নয়ন না হলে জনগণ তাঁকে সংশোধন করে দিতে পারেন।
অন্যদিকে, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একশোতে একশো নম্বর দিয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন চলছে এর পেছনে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে। জার্মান নাগরিক বা ভিনদেশি উপদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতকে অচল করার চেষ্টা চলছে, যা সফল হবে না। এই প্রসঙ্গে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন মৃত বা ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার পর যারা আবেদন করছেন না, তাঁরা স্বীকার করছেন যে তারা এ দেশের নাগরিক নন এবং তৃণমূল এতদিন এই ভুয়ো ভোটারদের মাধ্যমেই জয়লাভ করত।
সিপিএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে উত্তপ্ত রাজনীতি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আইনি পথেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, শিলিগুড়িতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পোস্টার প্রসঙ্গে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, দেশ সংবিধান মেনে চলে। এই ধরনের পোস্টারের নেপথ্যে কোনো সামাজিক অসন্তোষ তৈরির চক্রান্ত আছে কি না, তা পুলিশ ও প্রশাসনের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দেখা উচিত। সবমিলিয়ে এই মন্তব্যগুলির জেরে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে
