হাসপাতালের নিরাপত্তা পরীক্ষা দমকলের
সংবাদদাতা, কলকাতা: শপিং মলের পর এবার হাসপাতাল। পুজোর আগে অগ্নি-নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে দমকল। শনিবার দমকলের কলকাতা দক্ষিণ ডিভিশনের আধিকারিকদের নেতৃত্বে হল অভিযান চালানো হল বেশ কয়েকটি হাসপাতালে। ইএম বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালের অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। ছিলেন দমকলের সাউথ ডিভিশনের আধিকারিক নেহার রঞ্জন রায় এবং হেডকোয়ার্টারের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অরুণ পট্টনায়েক।ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম এবং ফায়ার এলার্ম এক্সিট পয়েন্ট সহ পাম্প হাউস, হোস পাইপের গতি সবটাই খতিয়ে দেখেন আধিকারিকেরা। ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম বা হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা সক্রিয় তা পরীক্ষা করা হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগী ও কর্মীদের উদ্ধারের জন্য ফায়ার অ্যালার্ম ঠিকমতো কাজ করছে কি না এবং পর্যাপ্ত জরুরি প্রস্থানের পথ খোলা আছে কি না তাও যাচাই করা হয়।
পরে ওই চত্বরেই আরেকটি হাসপাতালে অভিযান করার পরিকল্পনা রয়েছে দমকলের। কলকাতা দক্ষিণ ডিভিশনের ডিভিশনাল অফিসার নিহাররঞ্জন রায় জানান উৎসবের মরসুমে শহরের বিভিন্ন জায়গায় জনসমাগম বহুগুণ বেড়ে যায়। হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ ও সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিখুঁত রাখা বাধ্যতামূলক। আজ যে সমস্ত ত্রুটি বা ঘাটতি নজরে এসেছে, সেগুলি দ্রুত সংশোধনের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এই ধরনের তল্লাশি অভিযান আগামী দিনেও জারি থাকবে। উৎসবের আনন্দে যাতে কোনও দুর্ঘটনার কারণে ম্লান না হয়ে যায়, তার জন্য শহরের সমস্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের অগ্নিসুরক্ষার ওপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।
মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পরে দমকলের তরফে তৎপরতা বেড়েছে। একাধিক হোটেল, শপিং মল, রেস্তরাঁয় প্রায়দিনই খতিয়ে দেখা হচ্ছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার হালহকিকত। এ বার হাসপাতালেও শুরু হল অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবারও দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে দমকল।
