প্রধান নির্বাচন ঘিরে কংগ্রেসে ফাটল প্রকাশ্যে, ১৭ ভোটে জয়ী রাইয়াতুন
সংবাদদাতা, মালদহ: প্রধান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রকাশ্যে এল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। প্রধান নির্বাচনের ভোটাভুটিতে ১৭টি ভোট পেয়ে জয়ী হন রাইয়াতুন নেশা। প্রতিদ্বন্দ্বী হুমায়ূন রেজাকে ঘিরে দলের অন্দরে তৈরি হওয়া সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি বলেই দাবি বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতাদের।২৮ সদস্যের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের ২০ জন ও তৃণমূল ৮ জন সদস্য রয়েছেন।
২০ আগস্ট প্রধানের পদ থেকে কংগ্রেসের আয়েশা খাতুন ইস্তফা দেওয়ার পর নতুন প্রধান নির্বাচন ঘিরে শুরু হয় তৎপরতা।
বুধবার ভোটাভুটিতে রাইয়াতুন নেশা ১৭টি ভোট পেয়ে প্রধান নির্বাচিত হন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের প্রদেশ সহ সভাপতি মোস্তাক আলমের ভূমিকা নিয়েও সরব হন দলের একাংশ। জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান চৌধুরী ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য আনেসুর রহমানের অভিযোগ, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তৃণমূল সদস্যদের সঙ্গে সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি অর্থের বিনিময়ে সমর্থন আদায়ের চেষ্টার অভিযোগও তোলা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোস্তাক আলমকে ‘মীরজাফর’ বলে কটাক্ষ করেন বিক্ষুব্ধরা।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোস্তাক আলম।
তাঁর দাবি, প্রধানের পদ নিয়ে আগে থেকেই আড়াই বছর করে দায়িত্ব ভাগাভাগির সমঝোতা ছিল। সেই সমঝোতার ভিত্তিতেই হুমায়ূন রেজাকে প্রধান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।অন্যদিকে, রাইয়াতুন নেশা প্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস। মশালদহে আবির খেলা ও ফুলের মালা দিয়ে মাধ্যমে জয় উদযাপন করেন সমর্থকেরা।
প্রধান নির্বাচনকে ঘিরে এই ঘটনা নতুন করে মালদহের কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু করেছে।
