এবার বড়পর্দায় কিংবদন্তি সঙ্গীতিশিল্পী সুব্বুলক্ষ্মীর জীবন
লোপামুদ্রা ভৌমিক
বড়পর্দায় আসতে চলেছে কিংবদন্তি সঙ্গীতিশিল্পী ‘ভারতরত্ন’ এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবন। গৌতম তিনানুরি পরিচালিত এই ছবির নাম ‘এমএস—‘আ লেগ্যাসি অফ স্ক্রিন’। মূল ভূমিকায় দেখা যাবে রশ্মিকা মন্দানাকে। ১৬ সেপ্টেম্বর ছিল সুব্বুলক্ষ্মীর ১১০তম জন্মবার্ষিকী। এদিনই চেন্নাইয়ের মিউজিক অ্যাকাডেমিতে ছবিটির কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন অভিনেতা কমল হাসন। ছিলেন সুব্বুলক্ষ্মীর পরিবারের সদস্যরা, কর্নাটকী সঙ্গীতের বিশিষ্টরা এবং বিখ্যাত প্রযোজক অল্লু অরবিন্দ। উল্লেখ্য, অন্য দুজনের সঙ্গে এই ছবিরও প্রযোজনার দায়িত্ব সামলাবেন অল্লু।
জানা গেছে, এমএস সব্বুলক্ষ্মীর জীবন নিয়ে গত এক বছর ধরে রীতিমত গবেষণা করেছেন পরিচালক গৌতম তিনানুরি। এই গবেষণা যত এগিয়েছে, ততই যেন সব্বুলক্ষ্মীর জীবনের একেকটা পরত খুলে গেছে চোখের সামনে। পরিচালক জানতে পেরেছেন, তিনি শুধুমাত্র একজন প্রথিতযশা গায়িকাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন কন্যা, শিল্পী এবং এমন একজন নারী যিনি তাঁর দুচোখে এঁকে রেখেছিলেন এক বিশাল স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে পদে পদে এসেছে ব্যর্থতা। তবু সব প্রতিবন্ধকতাকে সরিয়ে নিজের লক্ষ্যে অবিচল থেকেছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন ভারতের অন্যতম সুর–সম্রাজ্ঞী। ত্যাগ এবং পরিশ্রমের মেলবন্ধনে নিজেকে করে তুলতে পেরেছিলেন একমেবদ্বিতীয়ম্। পরিচালক বলেন, ‘এমএস আম্মা সারাজীবনের নিয়মানুবর্তিতা, ধৈর্য এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন। এই ছবির মাধ্যমে সেই বার্তাই নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’
ছবির তিন প্রযোজকের অন্যতম বানি ভাস। বললেন, এই ছবির মাধ্যমে সব্বুলক্ষ্মীর জীবন ও কাজকে মানুষের সামনে নিয়ে আসাই তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য। ছবির অন্য প্রযোজক রকলাইন বেঙ্কটেশ বলেছেন, ‘সুব্বুলক্ষ্মীর জীবন নিয়ে ছবিটি তৈরির পিছনে সাত থেকে আট বছরের গবেষণা ও পরিশ্রম রয়েছে।’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানাও। বলেন, ‘একজন অভিনেত্রী হিসাবে এমন অসাধারণ সুযোগ পেয়ে আপ্লুত। এই চরিত্রের জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে পরিশ্রম করব। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীকে এমন ভাবে পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করব, যা সকলের ভাল লাগবে।”
ছবির মূল আকর্ষণ অবশ্যই এ ছবির সঙ্গীত। পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
