বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
রবীন্দ্র সরোবরে সাঁতার শিখতে গিয়ে মৃত্য়ু শিক্ষার্থীর ফারাক্কায় দ্রুত গতিতে চলছে লাইন মেরামতির কাজ মালদা মেডিকেলে শিশুমৃত্য়ুর জের, সাসপেন্ড সুপার এবার রাজ্য়ের মডেল স্কুল প্রকল্পে সিএম শ্রী ইন্সটিউট, ঘোষণা মুখ্য়মন্ত্রীর

শিশুমৃত্যুর জের:‌ সরলেন মালদহ মেডিক্যালের সহকারি অধ্যক্ষ

05 September, 2026 3:33 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, মালদহ: মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্বাভাবিক হারে শিশুমৃত্যু!‌ ঘটনার জেরে সরানো হল মেডিক্যাল কলেজের সহকারি অধ্যক্ষ ডাঃ প্রসেনজিৎ কুমার বরকে। তাঁর জায়গায় নতুন সহকারি অধ্যক্ষ করা হল ইএনটি বিভাগের প্রফেসর ডাঃ গণেশ চন্দ্র গাইনকে। সুত্রের খবর, মালদা মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সুষমা সাহুকেও সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় হাসপাতালে তিনজন শিশু বিশেষজ্ঞকে আনা হয়েছে।
গত ১১ আগস্ট মালদা মেডিক্যালে একই দিনে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে আগস্টের ২৮ তারিখ পর্যন্ত মোট ৮৯টি শিশু মারা যায় এই হাসপাতালে। এরপরই তদন্ত শুরু করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি। বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ছিলেন চিকিৎসক প্রলয় আচার্য। এছাড়াও কমিটিতে ছিলেন ডাঃ রাজশেখর সরকার, ডাঃ ভোলানাথ আইচ, ডাঃ বিজন সাহার মতো প্রখ্যাতরা।
যদিও, শিশুমৃত্যু প্রসঙ্গে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, একই দিনে যে ১০ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে আটটি শিশুর জন্ম হয়েছিল জেলার অন্য কোনও হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়েছিল। যে দিন ওই আটটি শিশুর মৃত্যু হয়, সে দিন মালদহ মেডিক্যাল কলেজে জন্ম নেওয়া দু’টি শিশুও মারা যায়। কিন্তু তদন্ত কমিটি জানিয়েছিল যে, এতগুলি শিশু মৃত্যু একেবারেই স্বাভাবিক নয়। ঘটনার ভয়াবহতা বিচার করে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছিল স্বাস্থ্য ভবনও। কমিটির প্রধান ডাঃ প্রলয় আচার্য জানিয়েছিলেন, শিশুমৃত্যুতে লাগাম টানতে পথে নেমে যেমন কাজ করতে হবে, তেমনই হাসপাতালেও কিছু বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে ৷ বড় কথা, একজন মহিলার গর্ভাবস্থা, প্রসবের সময় ও তার পরবর্তী সময়ে মায়ের প্রয়োজনীয় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে৷ এটা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য৷ শিশুমৃত্যু বিষয়ে সেই সচেতনতার বিষয়ে খামতি ছিল৷ তদন্ত রিপোর্টের পরই এদিন করা হল কড়া পদক্ষেপ।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik