বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ফারাক্কায় ধস, বাতিল উত্তরবঙ্গগামী সব ট্রেন নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্য়াস মুখ্য়মন্ত্রীর নেপালে ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার ২ শ্রমিক অভিষেকের ক্য়ামাক স্ট্রিটের অফিস খালির নির্দেশ

Kolkata Derby: বারাসতে ডার্বি, কলকাতায় এশিয়ার লড়াই—ইস্টবেঙ্গলের সামনে জোড়া স্বপ্ন

04 September, 2026 2:52 AM Arko Banerjee
শেয়ার করুন

কলকাতা: কলকাতা লিগের ডার্বির দিন-ক্ষণ চূড়ান্ত। ৭ সেপ্টেম্বর বারাসত স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় মুখোমুখি হবে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার দুপুর ৩টে থেকে ডিস্ট্রিক্ট বাই জোম্যাটো অ্যাপে শুরু হবে টিকিট বিক্রি। দাম শুরু ১৫০ টাকা থেকে। দুই দলই কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে জায়গা করে নিয়েছে। ফলে ম্যাচটির ফলাফল যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে কোনও অংশে কম নয় ডার্বির মর্যাদা ও উত্তেজনা।

তবে ইস্টবেঙ্গলের জন্য এর মধ্যেই এসেছে আরও বড় খবর। ঘরোয়া ফুটবলের গণ্ডি পেরিয়ে লাল-হলুদ মেয়েদের সামনে এবার এশিয়ার মঞ্চ। এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে গ্রুপ বি-তে জায়গা পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়ার হোয়াচিয়ন কেএসপিও, ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি এবং উত্তর কোরিয়ার ৪.২৫ এসসি। তিন দলই নিজেদের দেশের লিগ চ্যাম্পিয়ন। ১ নভেম্বর হো চি মিন সিটি, ৪ নভেম্বর হোয়াচিয়ন কেএসপিও এবং ৭ নভেম্বর ৪.২৫ এসসির বিরুদ্ধে খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

এই গ্রুপের সবচেয়ে বড় সুবিধা, তিনটি ম্যাচই হবে কলকাতায়। অর্থাৎ এশিয়ার শক্তিশালী দলগুলির বিরুদ্ধে ঘরের মাঠেই লড়াইয়ের সুযোগ পাচ্ছেন অলিভিয়া আনোকি, সৌম্যা গুগুলথেরা-রা। আরও একটি কারণে এই অভিযান ঐতিহাসিক। ভারতে প্রথমবার এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আয়োজিত হতে চলেছে। ১২টি দলকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন, তিন রানার্স-আপ এবং সেরা দুই তৃতীয় স্থানের দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। ফলে ইস্টবেঙ্গলের সামনে শুধু অংশগ্রহণ নয়, ইতিহাস গড়ারও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: East Bengal: এফিয়ংয়ের সঙ্গে জুটি বাঁধতে ইস্টবেঙ্গলে দ্রোগবার দেশের লোবা

একদিকে ৭ সেপ্টেম্বর বারাসতে পুরুষদের ডার্বি, অন্যদিকে নভেম্বরে কলকাতায় মেয়েদের এশীয় অভিযান। ইস্টবেঙ্গলের সামনে তাই একই সঙ্গে দুই মঞ্চে দুই বড় পরীক্ষা। ডার্বির উত্তাপ সামলানোর পর লাল-হলুদ মেয়েদের লক্ষ্য হবে এশিয়ার মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া।

প্রতিবেদন

Arko Banerjee