বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ মাওবাদী দম্পতির এই মাসেই ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভাসতে পারে বাংলা আজ মাঠে নামছে ইস্টবেঙ্গল মন্দারমণির সমুদ্রে তলিয়ে গেল মামা-ভাগ্নে

লখনউ ক্যাফে মালিককে খুনের অভিযোগ, ১১ দিন কীভাবে পুলিশকে ফাঁকি, জেরায় জানালেন শ্রদ্ধা

23 October, 2026 2:54 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন
সংবাদদাতা, মুম্বই: ১১ দিন পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন লখনউয়ের মডেল ও সমাজমাধ্যম প্রভাবী শ্রদ্ধা দুবে। ২০ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে তাঁকে, তাঁর বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক আদিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, জেরায় শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, পুলিশের নজর এড়াতে তাঁরা কোন কোন পথে ঠিকানা বদল করেছিলেন।

সূত্রের খবর, শ্রদ্ধা নেপালে পালিয়ে গিয়েছেন, এই খবর পুলিশের কাছে আসে। জানাজানি হতেই পুলিশের একটি দল সেখানে তল্লাশিতে যায়, তবে তাঁদের হদিশ পাওয়া যায়নি। পুলিশ নেপালে পৌঁছে গিয়েছে, এ কথা জানার পর থেকে তাঁরা ঘনঘন আস্তানা বদলাতে শুরু করেন। শ্রদ্ধার দাবি, প্রতিটি ধাপে তাঁদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছিলেন তাঁর প্রেমিক আমির।জেরায় শ্রদ্ধা জানান, নেপাল থেকে ফিরে তাঁরা প্রথমে কানপুরে যান, তার পর আগ্রায়। ১৮ অক্টোবর কানপুরে একটি হোটেলে ঘর নেওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ পরিচয়পত্র দেখতে চায়। পরিচয়পত্র দিলে ধরা পড়ার ভয়ে হোটেল বুক না করেই তাঁরা বেরিয়ে আসেন। এর পর গাড়ি ভাড়া করে নাগপুরে পৌঁছন, আর সেখানেই পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ক্যাফে মালিক শিবা শর্মার মৃত্যুর পর লখনউ ছাড়তে এবং নেপালে যেতে শ্রদ্ধাদের সাহায্য করেছিলেন আমির। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। লখনউয়ের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সেন্ট্রাল) জানিয়েছেন, আমির ছাড়াও আরও কয়েক জন নিয়মিত শ্রদ্ধাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তাঁরা কারা, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। উল্লেখ্য, ৯ অক্টোবর লখনউয়ের একটি আবাসনের চারতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় শিবার। ওই আবাসনেই শ্রদ্ধার সঙ্গে লিভ-ইনে থাকতেন তিনি। শিবাকে খুনের অভিযোগ উঠেছে শ্রদ্ধার বিরুদ্ধে। তবে তিনি তা অস্বীকার করে দাবি করেছেন, শিবা আত্মহত্যা করেছেন।

প্রতিবেদন

UTSAB RC