বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

অনিয়মের অভিযোগে ইডির তলব, সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা ইন্দ্রনীল সেনের

30 September, 2026 2:05 PM Sandipan Saha
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, কলকাতা: ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতির নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর ভুয়ো পাস বিক্রি ও কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে। ঘটনার তদন্তে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিশিষ্ট গায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার নির্দিষ্ট সময়ে ইডি দপ্তরে এসে পৌঁছান তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই ইডির একাধিক দল কলকাতা, সল্টলেক, কসবা, হিন্দুস্তান পার্ক, হাইল্যান্ড পার্ক এবং হুগলি জেলায় প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি ও ফার্ম সহ  মোট ১০টি ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি অভিযান চালায়। প্রায় দেড় দিন ধরে চলা এই তল্লাশি অভিযানে একাধিক নথিপত্র, ডিজিটাল ডিভাইস ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা।অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে ‘মাস আর্ট’  নামের একটি সংস্থা, যার সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির সূত্রে খবর, দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে শহরের বিশেষ প্রিভিউ শো এবং ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজা কার্নিভালের প্রবেশের জন্য ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। ইউনেস্কোর ব্যানার ও লোগো ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষ, দেশীয় ও বিদেশী পর্যটকদের কাছ থেকে চড়া দামে ভুয়ো পাস বা টিকিট বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। এই পাস বিক্রির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা তোলার প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে বিপুল পরিমাণ বেআইনি আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ মেলায় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি ইতিমধ্যেই প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের অধীনে একটি ইসিআইআর রুজু করে তদন্ত প্রক্রিয়া  শুরু করেছে। বেআইনি উপায়ে সংগৃহীত এই অর্থ কোথায় গিয়ে জমা হয়েছে, কোন কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে এবং এর পেছনে আর কোন প্রভাবশালীর হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখাই ইডির মূল উদ্দেশ্য।

সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রাক্তন মন্ত্রীর কাছে মূলত সংস্থাটির আর্থিক হিসাব, বিদেশি পর্যটকদের কাছে বিক্রি করা টিকিটের রসিদ, স্পন্সরশিপের অর্থ এবং ইউনেস্কোর অনুমোদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে বলে খবর।

 

প্রতিবেদন

Sandipan Saha