ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের সদস্য়পদ বাতিলের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ শোভনদেব

সংবাদদাতা, কলকাতা: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। সূত্রের খবর, স্পিকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শোভনদেব। আগামী সপ্তাহেই মামলাটির শুনানি হতে পারে।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান ও রথীন ঘোষ, এই ১০ বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের আবেদন জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি লিখেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়। সেই চিঠির ভিত্তিতে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না, এবং এ ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা কী, সেই প্রশ্ন তুলেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে মমতা তৃণমূল। মামলায় ওই ১০ বিধায়ককেই পক্ষ করা হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ আগেই জানিয়েছিল, ২০২০ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় অনুযায়ী, বিধায়কপদ খারিজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা স্পিকারের হাতে রয়েছে। তবে এর জন্য স্পিকারকে উপযুক্ত সময় দেওয়া হবে, সাধারণত যা তিন মাসের মধ্যে হওয়া উচিত। গত ৮ জুলাই ঋতব্রতদের বিধায়কপদ খারিজের আর্জি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছিলেন শোভনদেব। সেই হিসেবে সময়সীমা ছিল ৮ অক্টোবর। ওই দিনই সিদ্ধান্ত জানান স্পিকার এবং শোভনদেবের আবেদন খারিজ করে দেন। প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণেই দলত্যাগের অভিযোগে দায়ের করা আবেদনটি খারিজ হয়েছিল। স্পিকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই এবার ফের শীর্ষ আদালতে গেলেন শোভনদেব। তাঁর দাবি, স্পিকার যথাযথভাবে নিজের ভূমিকা পালন করছেন না।
