যাদবপুরে সিপিএমের বুক স্টল ভাঙতে বুলডোজার
সংবাদদাতা, কলকাতা : যাদবপুরে বইয়ের স্টল ঘিরে ফের উত্তপ্ত কলকাতা সহ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। শনিবার সন্ধেয় যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ডে সিপিএমের বুকস্টল সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়লেন বাম কর্মী–সমর্থকরা। স্টল ঘিরে মানববন্ধন গড়ে তোলেন বামপন্থীরা।
ঘটনাস্থলে পৌঁছোন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। মোতায়েন করা হয় বিশাল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানও। বুকস্টল সরানোর নির্দেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাম নেতৃত্ব। সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য সুদীপ সেনগুপ্ত বলেন, গত ১৩ অক্টোবর বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এই বুক স্টলের উদ্বোধন করেন। এরপর চার দিন ধরে স্টল চললেও পুলিশ কোনও আপত্তি জানায়নি। বুক স্টল বসানোর আগে পুলিশকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল, কলকাতা পুরসভায় কর জমা দেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সিএসসি–র অনুমতিও রয়েছে। তা সত্ত্বেও হঠাৎ স্টল সরানোর নির্দেশ কেন?
পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকদের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুদীপের বক্তব্য, বুক স্টল ভাঙতে হলে আমাদের বুকের ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং এলাকার সাধারণ মানুষের একাংশও প্রতিবাদে আন্দোলনে অংশ নেন। পুলিশের এক আধিকারিককে উদ্দেশ্য করে সুদীপ সেনগুপ্ত প্রশ্ন তোলেন, এত দিন ধরে স্টল চলার পর কেন এখন তা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে? তাঁর অভিযোগ, আদালত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুলিশ। তাঁদের অভিযোগ, কোথাও বিজেপি–আরএসএসের কর্মীদের মাধ্যমে, আবার কোথাও পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে বামপন্থীদের বুকস্টলে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
