অনুব্রতের ঘরে হামলা ‘পরিকল্পিত নাটক’, তৃণমূল ও বামদের আক্রমণ শমীকের
সংবাদদাতা, বারাসত: তৃণমূল কংগ্রেস ও বামফ্রন্টকে একযোগে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। বারাসাতে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন। অনুব্রতের ওপর হামলার প্রসঙ্গ তুলে শমীকের মন্তব্য, এটি “সম্পূর্ণ একটি পরিকল্পিত নাটক এবং অত্যন্ত দুর্বল চিত্রনাট্য”। তাঁর বক্তব্য, অনুব্রত মণ্ডলের দলীয় কার্যালয়ে এভাবে আক্রমণ করা যায়, তা আগে কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। অথচ সেটাই ঘটানো হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন ভেতরে ঢুকে বেরোনোর সময় “জয় শ্রীরাম” স্লোগান দিয়ে গিয়েছে। শমীকের ভাষায়, গোটাটাই সাজানো এবং এক দুর্বল চিত্রনাট্যের বহিঃপ্রকাশ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান ও শক্তি নিয়েও কটাক্ষ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর মতে, কোনো বিষয়ে আপত্তি বা সম্মতি জানাতে হলে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন থাকা প্রয়োজন, যা এখন মমতার হাতে নেই। আসন্ন উপনির্বাচন প্রসঙ্গে শমীক বলেন, রাজ্যে এখন সিপিএমও শূন্য, তৃণমূলও শূন্য। তাঁর চ্যালেঞ্জ, আগামী নির্বাচনে তৃণমূল, সিপিএম ও বিরোধী শক্তি সবাই এক হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ুক, ভোটের ফল বেরোলেই আসল সত্যি পরিষ্কার হয়ে যাবে। আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি দাবি করেন, রেজিনগরে ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটারের সমর্থন নিয়েই বিজেপি জিতবে, আর নন্দীগ্রামেও জয় নিশ্চিত। অনুষ্ঠানে শমীকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, দিলীপ সিং ও ড. রাজেশ কুমার-সহ অন্যান্য বিশিষ্টজন।
