বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
টাইগার শ্রফের উপর হামলায় ধৃত আরও ৪ আজ বিজয়া দশমী, ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন ভারতের সঙ্গে চুক্তি অন্যরকম, জানালেন ট্রাম্প দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দশেরা

দিল্লির বহুতল ভাঙার ঘটনায় মৃত ৭, শুনানি হাইকোর্টে

07 September, 2026 2:49 PM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, দিল্লি:‌ দক্ষিণ দিল্লির চাণক্যপুরীর কাছে বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ পড়ুয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখনও অনেক পড়ুয়া ধ্বংসস্তুপের নীচে আটকে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এদিকে রবিবার দুপুরে এই আবাসিক ভবনটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ার ঘটনার জল গড়িয়েছে হাইকোর্ট পর্যন্ত। বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চে সোমবার এই মামলার শুনানি হচ্ছে। অনিকেত কুমার গুপ্তা নামের এক ব্যক্তি এ বিষয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, মৃতদের পরিবারকে কমপক্ষে এক কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। এইসঙ্গে দিল্লিতে যত ‘পেইং গেস্ট’ বা পড়ুয়াদের জন্য মেসবাড়ি রয়েছে, সেগুলির পরিকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কিন্তু কেন এমন বিপর্যয়?‌ কীভাবে আচমকা ভেঙে পড়ল পাঁচতলা বাড়িটি?‌ প্রথমিক তদন্তের পর এই দুর্ঘটনার জন্য বেসমেন্টের সংস্কারের কাজকেই দায়ী করা হচ্ছে। বলা হয়েছে, কদিন ধরেই রাজধানীতে নাগাড়ে বৃষ্টি হচ্ছিল। ফলে বাড়ির বেসমেন্টে প্রচুর জল জমে গিয়েছিল। তার মধ্যেই বেসমেন্টের একটি দেওয়াল মেরামতির কাজ চলছিল। তাতেই বিপর্যয়। এদিকে মামলাকারী অনিকেত কুমার গুপ্তা প্রশ্ন তুলেছেন, আদৌ কি বেসমেন্টে কাজ করার বৈধ অনুমোদন ছিল?‌ বাড়িটির মালিক, ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার এবং সংস্কারের কাজে যে সব শ্রমিক যুক্ত ছিলেন তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত সোমবার জানিয়েছেন, স্কুল–কলেজ, হস্টেল, মেসবাড়ি, হাসপাতাল, নার্সিং হোমের মত জায়গাগুলোতে নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হবে। এজন্য নতুন নীতি আনা হবে। এই কাজের দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করবে দিল্লি পুরসভা এবং রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার নয় এমন কোনও বাড়িতে কোনও পেইং গেস্ট বা হস্টেল করতে দেওয়া হবে না। চাণক্যপুরীর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের বাবা–মায়ের সঙ্গেও তাঁরা যোগাযোগ রাখছেন বলে জানিয়েছেন রেখা গুপ্ত।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik