বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
সামশেরগঞ্জে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত এনকাউন্টার গাইঘাটা ধর্ষণ কাণ্ডে এনকাউন্টার করে অভিযুক্তের মৃত্য়ু সরশুনা কাণ্ডে অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ একই দিনে জোড়া এনকাউন্টার রাজ্য়ে

দীপাবলির মরশুমের প্রতিবাদ, হতে পারে ১০ হাজার কোটির ক্ষতি, ফের রাহুলকে চিঠি ব্য়বসায়ীদের

27 October, 2026 2:45 PM UTSAB RC
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: দীপাবলির ঠিক আগে দিল্লিতে ফের রাজনৈতিক উত্তাপ। ভোট চুরির অভিযোগে এবং নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার দাবি,  এসআইআরবাতিল করতে হবে। রাহুলের বার্তা স্পষ্ট, ভোট চুরি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, এর জবাব দেবে দেশ। ইন্ডিয়া ব্লকের এই আন্দোলনে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ রাস্তায় নামবেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ১৫ থেকে ২০ হাজার বাসে চেপে দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ দিল্লিতে পৌঁছবেন।

কিন্তু এই বিশাল জমায়েতের খবরে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে দিল্লির ব্যবসায়ী মহলে। প্রস্তাবিত সমাবেশস্থলের ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যেই রয়েছে চাঁদনি চক, সদর বাজার, চাওরি বাজার এবং কাশ্মীর গেট-সহ রাজধানীর প্রায় সব প্রধান খুচরো ও পাইকারি বাজার। দীপাবলির আগের এই সময়টা তাঁদের কাছে সারা বছরের সবচেয়ে লাভজনক মরসুম। ব্যবসায়ী ইউনিয়নগুলির আশঙ্কা, এত বড় সমাবেশ সামলাতে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড বসাবে, বহু রাস্তা বন্ধ থাকবে, যান চলাচল আটকে যাবে, এমনকি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করে দিতে হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ক্রেতারা বাজারে পৌঁছতেই পারবেন না। ব্যবসায়ীদের হিসেব অনুযায়ী, এর ফলে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

এই নিয়ে এটাই প্রথম আর্জি নয়। এর আগেও দিল্লির ব্যবসায়ীরা রাহুল গান্ধীকে অনুরোধ করেছিলেন, সমাবেশ যেন দীপাবলির পরে করা হয়। অভিযোগ, মাত্র ৩০ সেকেন্ডের জবাবে সেই অনুরোধ উড়িয়ে দেন তিনি। এবার চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিটিআই) চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল ফের রাহুলকে চিঠি লিখে একই অনুরোধ জানিয়েছেন। চিঠিতে তাঁদের বক্তব্য, দীপাবলির কেনাকাটার ভরা মরসুমে এত বড় জনসমাগম ব্যবসা-বাণিজ্যের বারোটা বাজিয়ে দেবে। ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ, এটাই প্রথম নয়। এর আগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিবাদ জমায়েতের সময়ও দিল্লির বাজারে বড় ক্ষতি হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। উৎসবের মরসুমে এভাবে বারবার প্রতিবাদ কর্মসূচি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখন মাথায় হাত দিয়ে বসেছেন।

প্রতিবেদন

UTSAB RC